কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে গোলাম কবির

কবি এবং কবিতা

একটা অমল কবিতা পড়ার তৃষ্ণায়
কবির হৃদয় উড়তে থাকে একলা দুপুরে
ঘুরে ঘুরে উড়তে থাকা চিলের মতো এবং
চোখ যে কখন হয়ে যায় নদী!
একটা কবিতা লিখার অপারগতায়
ঝলমলে সকাল কেমন করে যে হয়ে যায়
বিষণ্ণ দুপুরবেলা এবং তারপর ঝুম বর্ষায়
ভিজে ওঠে কবিতার অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপি!
কবির চুল তাই হয়ে যায় এলোমেলো,
চোখে নামে ক্লান্তি এবং অতৃপ্তির চিহৃ
মেখে নিয়ে কবি তখন পৃথিবীর পথে
বেরিয়ে পড়ে, ঘাটেঘাটে নোঙর ফেলে
অবশেষে গভীর নিশিথে বাঁকা চাঁদের
কাছে কবিতার শব্দের মালা গাঁথার জন্য
মহাজনী সুদের ঋণে নিজেকে বিকিয়ে
দেয়া কবি যখন লিখতে বসে তার কবিতা ;
তখন সময় নদীর বুকে পাল তোলা
নৌকার আনন্দে ভেসে চলা দেখে
কবির চোখে নামে শ্রাবণ ঢল!
কবি ও তখন গাইতে থাকেন
মনের আনন্দে হাশিম মাহমুদের
সেই ভাইরাল গান, ” তোমায় আমি
পাইতে পারি বাজী “!
কবিতাকে পাবার জন্য তখন
যে কোনো বাজীই তিনি ধরতে পারেন
একজন টগবগে তরুণ যুবার মতো।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।