কাব্যানুশীলনে গৌউর দে

জীবনের শেষ অধ্যায়
মৃত্যু চিরন্তন সত্য অবধারিত
তবুও মরনে কেন ভয় এজগতে,
জীবন মৃত্যুর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে, কষে
যাওয়া যোগ-ভাগ, গুন-বিয়োগের ভাষান্তর।
তবুও প্রতিটি অধ্যায়ের ব্যাকরণ-সন্ধি,
সমাসের ভাবান্তর প্রতিটি ক্ষণকে ত্রি-পত্র পল্লব বেষ্টনী শৈশব কিশলয় অনুভবে অনুবাদে দিয়ে চলেছে বাঁচার প্রবল লড়াই।
আকালের ঝড়ের আনুকূল্যে, এজীবন নদীর স্রোতের দিকে যাবে বয়ে মোহনার সংস্পর্শে।
শেষ হবে পাহাড়ের ঢাল, বরফ ঝর্ণায় হবে পরিনত, স্খলিত জ্যোৎস্নার আলোয় মুছে যাবে শাশ্বত প্রাণের গল্প যত, কাউকে কিছু না বলে কোনোও একদিন যেতে হবে চলে মেঘের দেশে অজানায়। পদ্মপাতার উপর ভাসমান নৃত্যাঙ্গময় জল, যেমন করে টলমল তেমনই দুঃস্কর স্মৃতি বয়
বিষাক্ত সর্পের ন্যায় অনুভূতি এ নস্যর জীবনের।
আগাছার মতো রয়েছে বেঁচে নেই কোনো
সম্মান, লতা জড়ানো সম্পর্ক হয়ে যাবে ছিন্ন পাতায় অর্ধেক যাবে রয়ে বাকি সব যাবে ঝরে সেদিন যাবার বেলায়।।