গদ্য কবিতায় গৌতম বাড়ই
by
TechTouchTalk Admin
·
Published December 16, 2020
· Updated May 21, 2022
একা আমি রাহুল
অপ্পমাদো অমতপদং পমাদো মচ্চুনো পদং।
অপ্পমত্তা ন মীয়ন্তি যে পমত্তা যথা মতা ।।
(অপ্রমাদ অমৃতের পথ। প্রমাদ মৃত্যুর। অপ্রমত্তের মৃত্যু নেই, যারা প্রমত্ত তারা মৃতেরই ন্যায়।)
সুজাতার পায়েসপাত্রে
কি যে এক ভালবাসা ঈশ্বরচেতনা লুকিয়ে ছিল বটবৃক্ষ জানে বেশি।
বোধিসত্ত্ব একখন্ড লুম্বিনী উদ্যান টুকরো করে
এ বিশ্বে বিনা অন্তর্জালে দিয়ে গিয়েছিলেন।
মহামতি অশোক তারপর
ভালবাসা প্রকাশিত পাথুরে গুহার দেয়ালে
থামে স্তূপে মালয় সাগরেও কবেকার
সুদূর ইওরোপে ব্যাপ্ত। মৌখিক ভালবাসা
বৌদ্ধিক চিন্তাভাবনা যেন লুপ্তকথা প্রায়।
গোপার ললাটের বিন্দী টিপ মেঘ ঢাকনায়
একটুকু ছোঁয়ায় শুক্লা চতুর্দশীর চাঁদ জাজ্বল্যমান
একরাশ অভিমানে কখনো মেঘ কালো।
সনাতন গৌতমের রাজ দরবারের আঁচলের ফাঁকে বৌদ্ধিক চেতনার উদ্ভব। লুম্বিনীর সেই চাঁদেরও তো বয়স হয়েছে আজ!
ভালবাসা এখনও অন্তরের সবটুকু নিখাদ?
ভালবাসার পবিত্র ফল টুকরো টুকরো কাটা
ক্ষীণ ক্ষয়িষ্ণু দিনমান
আলো আঁধারের নিরন্তরে
দগদগে নিকষ কালো রাস্তা ঢেকে দিয়ে যায় কপিলাবস্তুর নিঃসরণের সেই আলোকময় পথ।
সবুজ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে রাজপুত্র রাহুল,
একা একা সেই আহত রাজহাঁসের সাথে
এখনও
পুরাতন দিনের মমত্ববোধের কথা বলে —