তাবাসুমা তখন সবুজ মাঠের পরে,
আমার জন্য ঝাঁকি উল্টে দিল
কচি রোঁয়াওঠা ডাগর শশা।
আমি তার ডান দিকের গালে হলুদ ফুল
শশার প্রজাপতি হয়ে উড়তে দেখেছিলাম।
বাঁ- দিকেতে পুরু ঠোঁটের নিচে ঠিক,
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত বাগানের এক মস্ত তিল।
কিশোরবেলায় আমার সেই প্রেম
তামাক খেতের মতন দিগন্তে,
নদীর পাড়ে নেমে যেত গোধূলি- বেলা ভেঙ্গে।
হাতে আমার স্থানুবৎ ছেঁড়া তমসুক,
তাবাসুমা তখন উজ্জ্বল রোদ্দুর পেয়ে
নারী হয়ে উঠেছে —
আর আমি কিশোর- প্রেমে মজেছি
প্রতিটি আঙুলের ডগায় স্নায়ুতন্ত্রে
তখন আমার প্রেম মিহিতারে বাজছিল
আমি মাটির খাদে হরিণীর গন্ধ পাই,
তাবাসুমা তারাদের মতন জাগে সারারাত
পৃথিবীর আঁধার ছাদে।
একদিন হাত নাড়তে নাড়তে তাবাসুমা
আমার কিশোরবেলা নিয়ে চলে গেল–
আমি শশার মাচার ধারে এখনও
তাবাসুমার পায়ের চিহ্ন খুঁজে বেড়াই
একটা হলুদ প্রজাপতি উড়ছে যেখানে।