T3 || প্রভাত ফেরি || বিশেষ সংখ্যায় দেবব্রত রায়

রবীন্দ্রনাথ নয়, আরও একটা প্রভাত দাও
কয়েকজন কবি-বন্ধুর সঙ্গে একটু আগেই কথা হচ্ছিল আগামী-সাহিত্যসংস্কৃতি এবং কবিতা নিয়ে যার বেশিরভাগটাই ছিল কবি প্রভাত,প্রভাত-দা এবং প্রভাত চৌধুরী অর্থাৎ,আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস এবং বাক্য গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ অক্ষরগুলোই ছিল প্রভাত-দা সংক্রমিত ! আমাদের সেই ডিভোশনাল লিকুইডে একফোঁটাও অতিভক্তি বা,অতিকথন মেশানো ছিল না যদিও,কোনোদিন তা থাকেনি এবং আজও নেই ।
প্রভাত-দা আমাদেরকে রবীন্দ্রনাথ-ভরসায় রেখে গেছেন ! তখন রাত্রি আটটা।হেমন্তবাবু আমার মতো বদ্ধ কালা-র কানেও রবীন্দ্রামৃত ঢালছিলেন পরম যত্নে ! আটটা পঁচিশে হেমন্তবাবু থেমে গিয়ে বেজে উঠল রাজশ্রী গুহ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলা ! আমাদের প্রিয় টেকটাচটক আগামীকাল (২৩/০১/২০২২) প্রবাদপুরুষ প্রভাত স্মরণে ব্রতী হয়েছে !
আমি আজও সেই কাঠবিড়ালিই আর,প্রভাত-দা আমাদের হিমালয়,আমাদের জ্বালামুখী,আমাদের ফওলাদ,ওঁর আশেপাশে একটু জায়গা পেলেই,সেই উত্তাপে কিছু-একটা করার জন্য মোটিভেটেড হয়ে উঠতাম অথচ,বড়ো অসময়ে এই অপূরনীয় শূন্যতা নেমে এলো ! আমাদের সেই চরম আশ্রয়, ভারত-আত্মার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে বাধ্য হচ্ছি, হে বিশ্বকবি,আমাদেরকে প্রভাত দাও অন্তত, তোমাকে এইভাবে চিনিয়ে দেওয়ার জন্য আর কোনো রবীন্দ্রনাথ নয়,আরও একটা প্রভাত দাও যে আলো এবং অন্ধকারকে বিপরীত মেরুমুখী কোনো ল্যাঙ্গুয়েজে নয়,একেবারে মুখোমুখি একটা বন্ধুপ্রতিম সম্পর্কে শেক-হ্যান্ড করিয়ে দেবে !
আমরা অপার জনেরা আর-একটা প্রভাত চৌধুরীর অপেক্ষায় থাকলাম !