কৌতুক রচনায় দেবাশীষ মণ্ডল

শিক্ষক ও ছাত্রের কৌতুক প্রশ্নোত্তর—-
শিক্ষক–আচ্ছা বলতো দেখি ভাদ্র মাস ও চৈএ মাস এই দুই মাসকে আমরা বাঙালি রা কেন মল মাস বলি?
ছাএ—হে হে হে এটা কোন প্রশ্ন হলো এটা তো একটা সাধারণ প্রশ্ন। দেখুন ভাদ্রমাসের ঘর জামাই পালানো গরমে মানুষের পেট গরম ধরে যাওয়ায় প্রায়সয় আমাশয় ধরে গিয়ে থাকে তার ফলে বড্ড বেশী মানুষ মল ত্যাগ করতেই থাকে।এ ছাড়া চৈএ মাসে গাছ পালার পাতা গুলি ঝরে পড়ে মনুষ্যের মল ত্যাগের মতো ।তাই ভদ্রলোকের বিচারে এই দুই মাস মল মাস হিসেবে ধরা হয়।
শিক্ষক—আচ্ছা ,! এবার বলতো দেখি ‘পঁচা’ কাকে বলে?
ছাএ—এ আর কি প্রশ্ন স্যার।যে ছেলেরা ভালো পড়াশুনা করেনা তাদের কেই পঁচা বা পঁচা ছেলে বলা হয়।
শিক্ষক—- আচ্ছা!আচ্ছা!এবার বল তো দেখি ‘কর্ণ কয় প্রকার এবং কে কে?
ছাত্রটি উত্তর দিল —–চার প্রকার স্যার।দেখুন এই ডান কর্ণ;কর্ণ।বাম কর্ণ আর এক কর্ণ, মহাভারতের কর্ণ; এক কর্ণ এবং রামায়ণের কুম্ভকর্ণ তো এক কর্ণ বটে স্যার! তিনি ঘুমিয়ে থাকলেন বলে আমি তাকে ভুলে যেতে তো পারিনা!
শিক্ষক–,—-গুড! বিরলিয়্যান্ট সুডেন্ট।তবে মনে কর একটি বাসে দুজন মহিলা চেপে ছিলেন অথচ বাসে একটি সিট খালি ছিল কিন্তু কেউ বসলেন না। তাদের না বসার কারন কি ছিল বলে তুই মনে করিস?
ছাত্রটি নিমেষে উওর দিল—আমরা জানি মহিলাদের বয়স কত তা কখনো জানার চেষ্টা বা জিঞ্জাসা করা উচিত নয়।অথচ আমি হলফ করে বলিতে পারি যে বাসের মধ্যে যখন একটি মাএ সিট খালি ছিল সেই হেতু বাস কন্টাক্টটর বলিয়া ছিলেন যিনি বয়সে বড় তিনি এ সিটটিতে বসিতে পারিবেন। অতএব ঐ মহিলাদের মধ্যে কে বড় তাই প্রমান উনারা নিজেরাই দিতে চাননি । এটাই ঐ ভদ্রমহিলাদের ঐ সিটটিতে না বসার কারন বলে আমার মনে হয় এবং উপস্থিত সকলের মনে হওয়া দরকার।
শিক্ষক—–আহা ! কি উত্তর দিলিরে বাপ।ঠিক আছে তবে এবার বল দেখি ডিম কে দিতে পারে?
ছাএ—-ডিম কে দিতে পারে এটা খুব সোজা প্রশ্ন আমি বলবো তো স্যার?
শিক্ষক—-হ্যা,হ্যা বল বল।
ছাএ—-হাস, মুরগি ও পাখি জাতীয় এবং স্তন্য পায়ী প্রানী ছাড়া সবাই ডিম দিতে পারে। এছাড়াও এখন দোকানদার ও আই সি ডি এস সেন্টারে ও কদাচ মিডডে মিল চালু থাকা স্কুলেও ডিম দিতে সক্ষম বলে আমি মনে করি তবে তা মিডডে মিল প্রকল্পের মর্জি সাপেক্ষ ।
শিক্ষক—-বা!বা! একদম যথার্ত উত্তর দিয়েছিস বাপ।সব যখন বলে দিচ্ছিস তবে এই উত্তরটাও এবার দিতে পারবি নিশ্চয়?
ছাএ—-কি প্রশ্ন স্যার আপনি বলেই দেখুন না। আমি যদি না পারি তবে কেউ পারবেনা স্যার!আমি চেষ্টার বাবাকেও প্রয়োজনে ব্যবহার করে বলবোই স্যার।
শিক্ষক—-গুড কনফিডেন্স মাই বয় ।ঠিক আছে তবে এবার বল তো দেখি, একজন নাপিত কখন নিচের চুল উপরে কাটতে পারে?
ছাএ হতভম্ভ হয়ে পড়ে ।তবে খুব ভেবে উত্তর দিল।না মানে বলবো স্যার।
শিক্ষক—বলতেই তো বলেছি। বল বাপ আমার।
ছাএ—–স্যার যখন বলতে বলছেন বলেই ফেলি।যখন নাপিত টি তার নিচের সেলুনটি উপরে সিফট করে ঠিক তখনই নিচের পুরনো সেলুনটিতে লিখে রাখতেই পারেন নিচের চুল উপরে কাটা হয় এবং কাটতেও পারে। তবে স্যার আমিও এবারে কেটে পড়ি না হলে এবারে আপনি যে ভাবে নিচে নামছেন পাবলিকের একটা মারও নিচে পড়বেনা বলে আমার মনে হয়। সব পড়বে এই পিঠের উপরে।
ছাএটি চলে গেল এবং শিক্ষক সে পথে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইল।
….
শুধুমাত্র কৌতুক করার জন্য এই রচনা করা হয়েছে।