কৌতুক রচনায় দেবাশীষ মণ্ডল

পিঠে খাওয়ার স্বাদ
পিঠে খেতে হয় এটা কিন্তু জানা কথা। পিঠে না খেলে তার স্বাদটা যে কি তা বোঝা যায়না। আবার খাওয়ার স্বাদটা সব সময় ভালো নাও হতে পারে।জগৎ মাষ্টার মশাই বলেছিলেন তার একান্ত অনুগত ছাএ সুদেব কে।
কেন স্যার!এই তো, এই তো সেদিন মায়ের হাতে বানানো সমস্ত পিঠের স্বাদ ই তো অপূর্ব এবং অতুলনীয়।সে কি বলব স্যার আমি তো গুনে, অগুনে মোটামুটি পঞ্চাশটা সাপটে দিয়েছি ।এই দুদিনে টাটকা ও তেল দিয়ে বা দুধ দিয়ে ফোটানো আরও কত রকম মিলিয়ে।-স্যার কে বলল সুদেব।
জগৎ বাবু সুদেবের পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন—না ঐ পিঠের স্বাদ যে অপূর্ব অতুলনীয় হবে তার জন্য আমার দ্বিমত থাকতেই পারে না। কিন্তু এই পিঠে যদি দুমাদুম দুই চার ঘা পড়ে তবে তার স্বাদ অতুলনীয় অপূর্ব যে হবেনা তা তুমি বোধগম্য আছো আগের থেকেই।
এ্সুদেব বুঝতে পারে যে নিশ্চয় মাষ্টার মশাই কে দেখতে দেওয়া বানরের অঙ্কটায় নিশ্চয় কিছু ভুল হয়েছে । তাই সাবধানী হয়ে দেওয়ালে পিঠ শাটিয়ে দিয়ে নিজের পিঠে তাল যাতে না পড়ে তার জন্য পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করল। দুই দিন আগে মকর পরবে খাওয়া মায়ের হাতের বানানো পিঠের স্বাদ যাতে ভুলে না যায় মাষ্টার মশাইয়ের শক্ত হাতের কয়েক টা ‘পিঠে’ খেয়ে।