কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে দীপায়ন হোসেন

নদী আর কবিতা
কতকিছু জানার চেষ্টা করি আমরা
জীবন-সংসারের ওপর-নীচ, এমাথা-ওমাথা
পা থেকে মাথা, সমস্ত শরীর ওঠানামা করে জানাশোনা
তখনও আমার ঘুপচি ঘরে বর্ণ, শব্দ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে
তাদের একসাথ করে লাইন লিখলেই বর্ণ, শব্দগুলো মানুষ হয়ে যায়
মানুষ ছবি হয়, ছবি প্রাণ ফিরে পায়, ছবি কথা বলে
সে এমন একজন মানুষ
যার শরীর ছুঁলে জীবন জাগায়
আমার নিঃশব্দ নীরব ঘরে সে মানুষ লুকিয়ে থাকে
আমি তাঁর সাথেই কথা বলি, তাঁর সাথেই বাস রাত্রি-দিন
ঘুপচি ঘরে পোষা কষ্টগুলো নদী ছুঁয়ে কবিতা বাইতে থাকে
বাইতে থাকি নদী আর কবিতা
শুধু কবিতার আড়ালে জীবন বাঁচে?
নদীর নীরবতায় বিশ্বাস ফুরোয়
তবুও ফুরোয় না পথ চলা
বিশ্বায়নের যুগে পৃথিবী ক্রমেই ছোট হয়ে যাচ্ছে
ছোট হচ্ছে মানুষের মন, মানুষের বসবাস
শুধু দূরে দাঁড়িয়ে মানুষ সময়ের কথা বলে
কলমে লেখে
ফোনে কথা বলে
সবই অদ্ভূত
কবিতার বালুচরে জমতে থাকে অবিশ্বাস
মানুষের মনে জমতে থাকে দুঃখ, কষ্ট
সময় চলে যায়
নদী ঠিকই বয়ে চলে
শুধু আমি নীরবে দূরে তাকলে দেখি একলা
ভাসতে থাকি
শুধু ভাসতেই থাকি।