কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে দীপায়ন হোসেন

ও প্রেম
সবাই ভুলে যাবে দিন তারিখ বছর এবং বিশদ খতিয়ান
শতশত পৃষ্ঠার ভেতর নিজেকে আটকে রাখবো
দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণা সবকিছু বর্ণ শব্দের ভেতর দিয়ে যাবে
আমায় পেয়ে সুখী তুমি?
কথাটা এমনভাবে বলেছিলে
যা সত্যিই ভালোলাগা ছিলো
দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণায় পুড়ে যাওয়া আমি
হতাশার স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে
শোন,
যা কিছুই করোনা কেনো
আড়াল করতে পারবেনা কোনো বর্ণ শব্দ
সেই ভয়ানক বর্ণ শব্দ ঢেলে চলে
পুড়িয়ে দিয়েছো ভালোবাসা ভালোলাগা
যা কিছুই করোনা কেনো
তোমার চোখ থেকে ভেসে আসা প্রতিটা আলোর রশ্মি
যুবকের মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু
এমনও তো হতে পারতো
সঠিক উত্তর দাও
মিথ্যাটা বলো না
কিভাবে যাবো আমি? যেতে পারি?
চারদিকে ছড়িয়ে দিয়েছি শক্ত রশিতে
হেঁটে চলেছি সে রশির উপর দিয়ে
আমি জানি-
প্রেম আমাকে ইতিমধ্যে ক্ষত-বিক্ষত করেছে
শনাক্ত করছি একঘেঁয়েমির হাজার চিহ্ন
দু’জনের যৌবন খুঁজে পাই মনে মনে
মনটাকে রাখি সতেজ শরীরের সুখযজ্ঞে
আমি জানি-
সবাইকেই চড়া মূল্য দিতে হয় প্রেম ভালোবাসা ভালোথাকার জন্যে
কিছু কি মনে করবে যদি ইতিমধ্যে
তেমাকে অন্ধকার পোশাকের বদলে
আধুনিকতার পোশাকে জড়াই
প্রেম আমারও
আনন্দ করে
আনন্দ করো
এখন
তুমি ঠোঁট বাড়িয়ে দিয়েছিলে
এতটাই তৃষ্ণার্ত ছিলো
তৃষ্ণার্ত ঠোঁট নিয়ে জমে গেলাম জল খেলায়
ফুল ঘাসেরা সূর্যালোকে জেগে ওঠে
ফাগুনে যৌবন উজ্জীবিত দুটি শরীরের জীবনশ্বাস
শুধুমাত্র এটাই কামনা বাসনা
কবিতার তীব্র স্বাদ চুমুকে পান করা
আমার মন কেড়েছো যে তুমি
আমাকে নগ্ন করেছো
আমার মনটাকে এতটাই কেড়েছো যেন জল পিপাসু
প্রিয়তমা,
গ্রহণ করো এই উপহার
তোমাকে ছাড়া ভাবেনি অন্য কাউকে আর
আজকের দিনটাকে আঁকো উজ্জ্বল ছুটির দিন
জড়িয়ে দাও চুমু
করো তোমার সৃজনী কর্ম
যা তুমি ভাবো
বর্ণ শব্দের নখে
আমায় জড়িয়ে রাখো
কাগজের স্তূপের সাথে।