কবিতায় বলরুমে দেবারতি গুহ সামন্ত

ছাইয়ে শিবের ছায়া
শূণ্য থেকে পূর্ণ,পূর্ণ থেকে শূণ্য…
সন্ধ্যা নামছে, শাঁখে ফু,
শ্মশানকালী জেগেছে, জ্বলছে চিতা,
দাউ দাউ, দাউ দাউ, যেও না কাছে।
পুরনো শরীরের খোলসে অগ্নিকাণ্ড,
ছাই ভস্ম মাটিতে মিশছে,নতুন গাছের জন্ম।
অস্থি বিসর্জনে আত্মার মুক্তি, আহ্ কি শান্তি,
নতুন মাতৃজঠরের অনুসন্ধান শুরু।
মন্দিরে ঘন্টা বাজছে, ঢং ঢং ঢং ঢং, ঝোড়ো হাওয়া,
ঘুম ভেঙেছে ত্রিশুল ধারী শিবের, বাজছে ডমরু।
জ্বলজ্বলে নাগমনির আলোয় পুনরায় গর্ভসঞ্চার,
এক্ষুনি প্রলয় শুরু হবে, মহাপ্রলয়, শিব, শান্ত হও।।
তুমিই অন্ত, আরম্ভও তুমি, গায়ে ছাই মাখছ,
তাকিয়ে দেখ শ্মশানকালিকে, তান্ডবলীলায় ব্যস্ত,
তোমারই অর্ধাঙ্গীনি শান্ত, নির্মল পার্বতীর প্রতিরূপ,
নাগিনের নৃত্যোল্লাসে তোমাদের রচিত বৃত্ত সম্পূর্ণ, অসমাপ্ত প্রেম।।