কবিতায় বলরুমে দেবারতি গুহ সামন্ত

বেটার অপশন
বাটার টোষ্টের থেকেও,
খুঁজছিলাম বেটার অপশন,
পেলাম পাওভাজি,স্যন্ডউইচ,
একটু তরকারি,একটু নোনতা।
প্রয়োজন আর বিলাসিতা,
ফারাক বুঝতেই অর্দ্ধেক লাইফ,
একঘেয়েমি কাটাতে একমুঠো খোলা হাওয়া,
একটু হাসি,একটু কান্না।
আর একটু বেটার হলে ভালো হতো না?
এই আর একটুর চক্করেই মাথাটা চক্রাকার।
রাস্তায় পাগলটা শুয়ে আছে,নো টেনশন,
ওই ভালো আছে,ওই ভালো আছে।
ইতিমধ্যে
ভেতর ভেতর ফিলিং লোনলি,
আছি সবার সাথে,অথচ নেই।
কাজ অকাজের ফাঁকে একটুখানি ন্যাপ,
চমকে উঠছি,সময় চলে যাচ্ছে।
জীবনটা যদি এডিট করতেছ পারতাম,
তাহলে কি শুধু নিজেরটাই ভাবতাম?
লোকে কি বলবে না বলবে এই ভয়েই আধমরা,
স্বার্থপর হতে পারলাম কই,মায়ার বাঁধন।
যাই,বইগুলো একটু নাড়াচাড়া করে আসি,
পাতার ফাঁকগুলোয় আমার মুক্তি আটকে।
প্রদীপ আর দিয়ার রসায়নে নতুন গল্পের প্লট,
ফেলছি স্বস্তির নিশ্বাস,কিছুটা হলেও একঘেয়েমি কাটবে।
শিরোনাম – শেষ বিকেল
কলমে – দেবারতি গুহ সামন্ত
সব কিছুই শেষ হয়,
তোমার সাথে না থাকা নিয়ে,
ভাঙতে ভাঙতে একটা পর্যায়,
ক্লান্ত বিষন্ন অবসন্ন।
টুনি বাল্বের লাল নীল আলোয়,
অতীতটা ফ্ল্যাশব্যাকে,
মধু ঢালা সে সন্ধ্যায়,তুমি আমি দুজনায়,
ঝিকিমিকি তারা,ঝিরিঝিরি হাওয়া।
একটা মিথ্যে,অনেকটা সন্দেহ,
সূঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেড়োল।
জোনাকির আলো নিভে গেল,
নিভিয়ে দিয়ে গেল আমার দিবাস্বপ্ন।
জ্বলল প্রতিহিংসার আগুন,ভাঙনের শব্দ।
শিরোনাম – লঙ্কাকান্ড
কলমে – দেবারতি গুহ সামন্ত
কাঁচা লঙ্কার বুক চিড়ে,নুন মাখিয়ে,
ফেলে দিলাম গরম তেলের কড়াইতে,
নির্মম,নিষ্ঠুরের মতো,দিলাম ছ্যাকা,
এবার ভাজা হোক ব্যাটা কাঁচালঙ্কা।
দানাগুলো যখন ছিটকে উঠছিল,লঙ্কার বুকে তখন আগুন লেগেছে,
হনুমানের লেজে আগুন,জোর গলায় বলছে,”জয় শ্রী রাম”,
হাততালি দিচ্ছে জনগণ,সীতা উদ্ধার হবে,পাপস্খলন,
আসেনি দমকল,পুড়বে লঙ্কা,রামরাজত্বে এবার বধ হবে রাবন।।