কবিতায় ডরোথী দাশ বিশ্বাস

সেই সে
এমন একটা সময় নিশ্চয়ই আসে
যখন অতিবড় নাস্তিকও
ঈশ্বরের মহিমা ঘোষণা করতে উদ্যত হয়।
অন্তরের গহীনে ডুব দিয়ে প্রত্যক্ষ করে নিজ সত্তার কৌমারীত্ব।
একটা পালক স্পর্শে আলোকরেখার সেই অবয়ব
আরো উজ্জ্বল হয়ে প্রতিভাত হয়,
আধফোটা কুঁড়ি হয়ে ওঠে চোখ,
গভীর শ্বাসবায়ুবাহিত অধিক অম্লজান
প্রতিটি কোশকে করে পরিপুষ্ট,
তখন মস্তিষ্ক জুড়ে এক নিবিড় তন্ময়তা
দেহ জুড়ে আলোকপ্রভা
তখন উপলব্ধিতে ঈশ্বর আর নাস্তিক মিলেমিশে একাকার।