কবিতায় ডরোথী দাশ বিশ্বাস

নির্লিপ্ততা
প্রতিবাদ?
নাহ্! আর নয়, এখন সব বাদ।
অন্যায় যে সহে সে
নিজের পিঠ বাঁচানোর তাগিদ
অনুভব করে না
সে বড় নির্লিপ্ত আজ।
অন্যায়কারীদের বড় গলা
অনাবশ্যক চিৎকার,
ফাঁকা আওয়াজ তুলে অবশেষে ক্লান্ত,
নিশ্চুপ।
দৃষ্টি ঘোরানোর রসদ মজুত
মাধ্যম প্রস্তুত
নিত্যনূতন বৈচিত্র্যের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া
কঠিন নয় তেমন।
ভোজবাজির মত অন্তর্হিত হবার ঘটনা বিরল নয়।
নয়তো চিরতরে অতলে ডুবে যাওয়া।
সমালোচক ভাবে—
এক রাত্তিরে সব কিছু পাল্টে যাবে।
এ আশা যে বৃথা।
প্রতারণা যেখানে রন্ধ্রে রন্ধ্রে
অশিক্ষার আঁধারে যেখানে মানুষ দৃষ্টিহীন
বুভুক্ষু মানুষের যেখানে নাভিশ্বাস ওঠে
সেখানে প্রতারিতদের আলাদা কোনো সংজ্ঞা হয়না।
একজোট হবার কোনো বৈশিষ্ট্য
কখনোই ফুটে ওঠেনা।
প্রতারিত তো হতেই হবে—
প্রযুক্তির ব্যবহারকারীও যথেচ্ছ পরশ্রমভোগী,
হাড় কৃপণও উন্নাসিক, ঠকবাজ।
চলতে গেলে প্রতি পদক্ষেপে
হোঁচট খেতে হবে
মধ্যযুগীয় মানসিকতার সাথে।
তবু আপাত শান্তিতে বেঁচে থাকতে চাইলে
প্রতিবাদ কখনোই নয়।