কবিতায় ডরোথী দাশ বিশ্বাস

চলতে চলতে
ঐ দেখো—
গাছভরা মাদার ফুল,
ছুঁতে পারবে না।
তাই তো!
একেবারে লালে লাল।
গাছটা এত উঁচু আর এত বড়
অথচ চোখেই পড়লো না!
এখন তো অখণ্ড অবসর,
এ বসন্তে চোখ মেলে দেখিনি তো
পলাশ অশোক শিমুলের রঙ,
কেন না—
প্রাপ্য বুঝিয়ে দেবার সংকেত আসেনা নিয়ম মেনে।
করলার জল এত স্থির!
ভর দুপুরে সে জলে কালো ছায়া।
থার্মোকলের সাদা ছোপ ছোপ
পাতাশ্যাওলার ভীড়ে শ্রম জড়ানো পা
হাতে নেই ছিপ।
তাহলে?
কি দেখার আছে ওখানে?
চলতে চলতে চকিতে উদয় হয়
এই সব নানা প্রশ্ন।
ঔষধালয়—
সময় গড়িয়ে যায়,
এত শত মানুষের ভীড়!
তা দেখে
পায়ের নখ থেকে সুড়সুড় করে
উঠে আসে যেন অসুস্থতা।
ভেবেছি কতবার— ‘ভাববো না’
চেনা অশান্তির ব্যূহ ছেড়ে বের হলে
ক্ষণিকের জন্য হলেও
টুক করে ঢুকে পড়ে প্রশান্তি
অজান্তে চোখ চলে যায়
কোনটা নিয়ম, কোনটা অনিয়ম
এসব খুঁজে বের করতে।
কত বসন্ত পার হলো,
এ নিয়ে এখনো দ্বন্দ্ব,
এখনো সংশয়।
এ সময় বড় দুঃসময়!