কবিতায় ডরোথী দাশ বিশ্বাস

কেমন আছো আলোকিতা?
কেমন আছো আলোকিতা?
বাসযোগ্য জমীন মাটি
কর্মযোগটি ভীষণ খাঁটি
জমজমাটি সংসারটি
জ্যোৎস্না আলোয় অধ্যুষিতা…
প্রাণের আধার শক্তি-ঘাঁটি
মোম আঙুলে যত্ন আঁটি
জীবনচর্চা পরিপাটি
দু’চোখ জ্ঞানে উদ্ভাসিতা…
কেমন আছো আলোকিতা?
বোধের মাঠে অবাধ চলা
দর্শণতত্ত্ব উগরে বলা
গল্প কাব্যের শিউলিমালা
গেঁথে জ্বালাও প্রাণের দীপ
এড়িয়ে যত ছলা-কলা
মিলিয়ে প্রশ্ন-উত্তরমালা
মন্ত্র তোমার এগিয়ে চলা
উদার সত্য-ন্যায়ের সমীপ
আলোকমনের এমনই যাপন
বদ্ধ জলে ধরায় কাঁপন
প্রতিক্রিয়ায় ভীষণ যাতন
দুঃখে নির্য্যাতিতা
মন বুঝতো সৃষ্টি-সৃজন
প্রতিরোধে মনের মাতন
উতল সমীরণ
ভালো ছিলে না আলোকিতা
অধম যত স্বজনসত্ত্ব
কষ্ট যত অর্জিত
পাথরসম বর্ষিত
মন কাব্যে উপনীত
তোমার তৈরি আলোকবৃত্ত
ছড়ায় জ্যোতি অবিরত
সেই জ্যোতিতেও আঁধার চিত্ত
হয়না আলোকিত
পৃথ্বী’পরে এ ঘোর আঁধার
কাটে কি আর একটি চাঁদে
ফাঁক পেলে হাট অমানিশার
নক্ষত্ররাও পড়ে ফাঁদে
জগৎ জুড়ে হিংসাদাপট
যুদ্ধং দেহি- হাঁক পাড়া
মুক্তি কোথায়, আঁধার মনের
গভীর জটিল শিকড় গাড়া
তোমার হাতে শান্তি নিশান
বাজাও তোমার আলোর বিষান
অশান্তি হোক কেটে খানখান
উঠুক শঙ্খে সাড়া
আসলে সেই ভালো থাকে
স্বপ্ন নিয়ে আঁখিপাতে
গড়ে যে মন নিজের হাতে
হয় যে আলোকিতা
ভালো থেকো আলোকিতা—