পৌষের হাড়হিম হিমেল শীতে
উত্তাপ খোঁজে সন্ধ্যায় পরিযায়ী
খড়কুটো জ্বেলে আগুনের আঁচে
সার বেঁধে সেঁকে নেয় ওরা নগ্ন শরীর
ধোঁয়ার ধোঁয়াশায় জীবনের স্বপ্ন হারিয়ে
স্বপ্নভঙ্গের গল্পকথা পথের ধুলায় মাড়িয়ে
ক্ষুধার ক্লান্তিময় শীর্ণকায় অবয়বগুলি
হেঁটে চলে মাইলের পর মাইল শিকড়ের টানে
পরিযায়ী পাখিদের মত পাখা নেই ওদের
আছে দু’টি পা, ওরা তাই পায়ে পায়ে উড্ডীন
মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে উঁকি মারে মহামারি
মৃত্যুকে উপেক্ষা করে হাঁটে ভিটেমাটির টানে
এক পা দু’পা করে জীবন মেপে মেপে এসে
অন্তহীন পথে জীবন বাজি রাখে শেষে!
একটুখানি বাঁচার উত্তাপ খোঁজে
পরিযায়ী, বেলাশেষের সন্ধ্যায় এসে
সময় এসেছে আজ পিছন পানে হাঁটার
খুঁজে দেখার সেই জন্মের আঁতুড়ঘর
যেখানে মাটি, শিকড়, রক্ত আর অনুরক্তি
জন্মনাড়ির সাথে মিলেমিশে একাকার!