যন্ত্র আমাকে বড় কষ্ট দেয়
তার শক্ত, খসখসে শরীরে হাত দিলে
আমার হাত পুড়ে যায়
যন্ত্রগুলো সারাদিন কথা বলে চলে
তাদের কোনো বিরাম নেই, কোনো ক্লান্তি নেই
কোনো খোঁজ নেই, শুধু কথা আছে
যন্ত্র তার হাত-পা ছুড়ে যাচ্ছে
দম দেওয়া পুতুলের মত
পুতুলের হাততালিতে বাকি পুতুলগুলোও হাততালি দিতে থাকে
তারা একিই ভাবে সব হাততালি দেয়
একই ভাবে হাত পা ছোড়ে
তাদের হাততালির আওয়াজে আমার রাতের ঘুম উড়ে যায়
এই সারাদিন হাততালি দেওয়া, হাসতে থাকা পুতুলের ভিড়ে
চাপা পড়ে গেছি আমি
এবং এরই মধ্যে চেষ্টা করছি মানুষ হয়ে বাঁচার।
আত্মার খোঁজে
শিথিল দেহ, বন্ধ চোখ, পদ্মাসনে বসে
বিন্দু বিন্দু রক্ত গড়িয়ে পড়ছে হাত থেকে
হনুমানের মত বুক চেরার ব্যর্থ চেষ্টা
গভীর রাতে বেশ্যার ঘুটঘুটে কান্না
মাংস, রক্ত, অস্থি, মজ্জা, আরও গভীরে, আরও
গেরুয়া দেয় হাতছানি, আস্থা চ্যানেলে আহাম্মকেরা শোনায় বড় বড় কথা
মৃত্যুশয্যায় শুয়ে থাকা রুগীর স্বজনেরা, ঐ বেরোবে, ঐ
হাওয়ায় উড়ছে গীতার ছেড়া পাতা,
ডাস্টবিনে মুণ্ডহীন বিগ্রহ
আমি! আমি সৌমেন, আমি! কেন অদিতি!
শুধু কি তাই?
দার্শনিক উচ্চরবে হাসে, বিজ্ঞানী মাথা চুলকোয়।