বিষয়ের নতুনত্ব কলম ধরতে আগ্রহ জাগলো, আমরা সাধারণত ফুল,মালায় স্বধীনতার সাফল্য উদযাপন করি, সভা করি, কিন্তু স্বাধীনতার খোঁজ ব্যাপারটার মধ্যে যেন লুকিয়ে আছে একটা কান্না, কিছুটা অসহায়তা, প্রতিবাদ, আর্তনাদ !! যা আমাদের স্বাধীনতার 74 বছর পরও খুঁজতে হয়!! আর যা খুঁজে পেতে হয়,তা স্বাভাবিক ভাবে জীবনে এসে পৌঁছয় নি। বা ছিল ,কোনো সময় বর্তমান ছিল, কিন্তু হরণ করা হয়েছে, তাই আবার আমরা তা খুঁজে পেতে চাই।একজন সুস্থ মানুষের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ আজীবন থেকে যায়, পরাধীনতার কালে আমাদের কিভাবে পরাধীনতা মচোন করা যায় তাঁর বিপুল খোঁজ ছিল, স্বাধীনতা উত্তর কালে আমাদের শিক্ষা, খাদ্যের, কর্মের খোঁজ ছিল, ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষ চেষ্টা করেছে তা পূরণ করার।
কেটে গেছে অনেক বছর, নারীর খোঁজ ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিঁড়ে ফেলে পুরুষের কাঁধে,কাঁধ মিলিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমান করার,এবং অধিকারের স্বধীনতাটি ভোগ করার। অনেকটাই অর্জন করতে পেরেছে এই একুশ শতকের নারী। তবু প্রকৃত স্বাধীনতা ,সে তো মানসিক জড়তার মুক্তি, চিন্তাধারার মুক্তি আসলে তা মেলে।তাই সে অর্থে নারীর স্বধীনতার খোঁজ টি রয়ে গেছে, কিন্তু আসে নি।
অনবরত বাকস্বাধীনতা বিঘ্নিত হচ্ছে , মানুষ ভয় পাচ্ছে নিজের মত প্রকাশ করতে। খোঁজ রয়েছে প্রকৃত বাক স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার।
কর্মক্ষেত্রে ওপর তলার মালিকের নির্দেশ কর্মীর নিজস্বতা নষ্ট করে দেয়, ক্ষোভ, হতাশা জমা হয়, হৃদয় টি আর্তনাদ করে ওঠে, খুঁজে মরে প্রকৃত স্বধীনতা,
মহামারী কালে স্বধীনতা বিঘ্নিত হয়েছে সবচেয়ে বেশি শিশুদের, ওদেরই প্রয়োজনে কেড়ে নেওয়া হয়েছে ওদের উন্মুক্ত আকাশ, অবাধ পদচারণ।নিষেধের কাঁটায় জীবন জর্জরিত।ওদের কোমল হৃদয়েও রয়েছে স্বধীনতার খোঁজ
মহামারীর কারণে নষ্ট হয়েছে আমাদের আলিঙ্গন সুখ, আদরের সহজ সাবলীল সুখ।
স্পর্শের যে নিরাপত্তা ,যে উষ্ণতা মানুষকে সারিয়ে তোলে তাও রোগের কারণে বিঘ্নিত হয়েছে।আমরা কবে আবার সেই চেনা স্বধীন পরিবেশটি ফিরিয়ে আনতে পারবো রয়েছে তার খোঁজ।
আরো অনেক স্বধীনতার খোঁজ স্বাধীনতার 74 বছর পরও রয়ে গেছে। হয়তো খুঁজে পাবে মানুষ
কোনোদিন প্রকৃত স্বধীনতার খোঁজ, হয়তো অনেকে খুঁজেই চলবেন। জীবন তবুও বহমান, প্রাপ্তি,অপ্রাপ্তি মিলিয়েই খোঁজ থাকবে প্রকৃত স্বধীনতার, আর আমরা পৌঁছে যাব, 74,75,76,তম স্বধীনতা দিবসের দিকে।