পিতাকে বলেছিলাম পঞ্চম শতাব্দীর চাষীবালা
আমার ঘরণী ও হইতে পারে।
তার সুডৌল গোড়ালি আর এক ঢাল কালো কেশের বিনুনিতে গুজে রাখে সেই বীজ ধর্ম।
আমার বিবাহ বাসরে কোন ভাষায় মেঘকে
আমন্ত্রণ জানাবো।
প্রতিদিন আমাদের কনকাঞ্জলির দিন।
অর্জুন বৃক্ষের ছায়ায় বসত করা দম্পতি কে ডাকা
হোক,
রাজহংসীর সহবত শেখানো শিক্ষক কে ডাকা হোক,
আমাদের যুগল সাধনায় মাঙ্গলিক কুলোর হেতু আখ্যান অপ্রথাগত সিদ্ধ কিনা কে বলে দেবে। ২
নিতান্ত শরীরী তাড়না
তুমি আর কিছু তো পারো না।
নিতান্ত মেঘেদের জল
ফুসমন্তর ফলিডল।
তুহু মোর শ্যাম সমান
যৌনতা কতটা দমান।
লুকাও সে ভদ্র মুখোস
দু’চারটে স্ত্রীলিঙ্গ পোষ।
৩
উড়ে যায় ডানা মেলে মৃত্যু ।
তুমি ট্রাঙ্কুলাইজার হাতে
ঝুল বারান্দায়
আয় মৃত্যুটি নিয়ে যা।
কোন এক গোপন বিকেলে
নিঃসঙ্গ ডাকবাক্স থেকে না বিলানো চিঠি
তোমার ঠিকানা খুঁজে কড়া নাড়ে।
জাগতিক তরলে ভাজা মেধার পাঁপড়
আর সুঘ্রাণ শষ্যের নির্ভার আতিথ্য মেখে
পরোয়ানা ফিরে গেছে নিজস্ব তিমিরে।
সারি সারি লাস ঘর।
অপ্রতুল বরফ জোগান।
মৃত্যু প্রতীতির কত শতাংশ জিএসটি পেলে
লেখা হবে দাহ কর্মের নির্ধারিত আলো।
তাকে শিখা ভেবে গৃহী চেতনায় জাগিয়ে রাখে
বুকিং বিবরণী।