গুচ্ছ কবিতায় চিরঞ্জীব হালদার

আমাদের আমরা 

আমাদের মডারেট যৌনতাগুলো বাদুড়ের ডানায় নিরুদ্দেশ।
মুখরোচক পি এন পি সি গুলো আধুনিক কুনকের পাকে পাকে লাট দেয়।
আহা আমরা রসিক হতে পারিনি যতটা মেরুজিন নদী।

আমরা গগনের নিচেও থাকি আবার গগনের উপরেও থাকি।
আমাদের গৃহপালিত ইচ্ছার সাথে অশৈল কৌশল ইচ্ছে থাকলেও সঙ্গে রাখতে পারিনা।
পোকাহীন ডোঁপো বিছানা যখন মস্করা জুড়ে দেয়
আমরা আরণ্যক ধ্বনির গা ঘেঁসে নাক ডাকি।
কাজল আমাদের এক উৎকৃষ্ট কুয়ো ও অধ্যায়।

আমাদের নাম কাজল।
আমার নাম লবন। আর লবণেরা আত্মার হন্তারক।
আমাদের অভিভাবকও লবণ।
কম হলে আমাদের ভূমা পোকা জাগরিত হয়।
বেশী হলে রাগী আর ঝগড়াটে কলম্বাসের মত
এক একজন আবিস্কার কর্তা হয়ে উঠি।

স্বাদ

ভরন্ত নটীর মত তুমি দেখ সাদা পৃষ্ঠা।
রসিক ঘনঘোর বিদ্যায়তন হেসে ওঠে করমচা
কৌতুকে ।
গৃহ ও গতর বসে থাকে।
মুখোমুখি।
রগড় ও যাঁতি সুনিপুণ মুখটিপে দেখে
রূপ থেকে খসে যাওয়া দোয়েল পালক।

জেগে ওঠে জরির সরণি
মগ্ন ফোঁড় দোলন বিলাস ।
জেনে যায় ক্লেষ ছাড়া সবৈব মিথ্যা প্রণয়।
একটি জামরুল ডাল ডেকে আনে ইষ্টিকুটুম।

ভাষপাখি সব জানে জানাবে বসন্তে
কুমারী বিজ্ঞপ্তি কার ঘরে হরিয়াল স্বাদ বেঁটে দেবে।

 

ইকোধর্ম

কাপ্তাই হ্রদে মহাসম্মত স্নান সেরে উঠে আসেন।
হিংসা ভেসে যায় জলে।
খল ভেসে যায় জলে।
মহামান্য মৎস্য জানেনা
মলিন ব্রহ্ম ভুল পথে হিংসা সাধক।
সুপক্ক আমড়ার বীজে ঘুমিয়ে থাকে খল।
রিপু দগ্ধ কাঙাল ছিপ ফেলে গান গায়।

মহাসম্মত তুমি গাও সাধনা তিনকড়ি।
তোমার দেওয়ালে ‘ ক’ ও আ’কার
ডিম পাড়ে।
ভজন উড়নি থেকে রিপুকল্প খসে খসে
তোমাকেই রচনা করে সনির্বন্ধে।
এসো গোলকনগরী দেখি তুমি কতটাই
পানকৌড়ির পরামর্শদাতা।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।