গুচ্ছ কবিতায় চিরঞ্জীব হালদার

আমার একটি পা যে কবে থেকে নেই বুঝতে পারিনি।
লেংচে হাঁটাকে ঢাকা দেওয়া জন্য ধুতি পরিধান একটি উৎকৃষ্ট ভান।
এক পায়ে কবে থেকে আলতা লাগিয়ে রেখেছি মনে নেই।
অবশ্য আঙুল নেই তাই নরুন বা নেল কাটার এর প্রয়োজন ঘটেনি।
এরম আরো অনেক ব্যাপার আছে যা দিন দিন সাশ্রয় করেছি গোদার কিনবো বলে।
যদিও অপঠিত দস্তয়ভোস্কি থেকে উড়ে আসা ডুমো মাছির পাল জাঙিয়া পকেটে লুকিয়ে রাখি
যাতে জন প্রানী না টের পায়।
প্রায় ই গোটা এক কাঁঠাল নিয়ে বাড়ি ফেরার ভাবনা ধার করি।
যাতে আমার প্রিয় শত্রু আমার
মাছি গুলোকে হত্যা করতে না পারে।
অলৌকিক পাখিদের পর আর কোন মহাশূন্য আমার ঠিকানার ঠ হারিয়ে গেলে….
পত্রহীন গাছে আর সারি সারি মৃত নক্ষত্রের
সমাবেশ ভুলে গেছি কথ্য অধিকার।
জিভ থেকে উধাও যুক্তাক্ষর।
অথচ আগুনের হল্কার ভেতর দিব্যি ঢুকে দেখি
একটুও ফোস্কা নেই।
মহাশোক থেকে নেমে আসছেন পিতামহ।
তাকে জিজ্ঞেস করি চিরঞ্জীবের চ থেকে কেন আর রক্তকরবী মাথা দোলায় না।
ফলত মহাশূন্যে একটিও ইদুর দেখব না ভেবে
ফসলের মহাদ্রিমি অখন্ড মন্ডলাকার।
শেষ শলা পরামর্শ সেরে যেন ঘুমিয়ে পড়েছে ছায়া আর গুপ্ত ক্লীবতা।
মরমিয়া বাথানে খইনে ধানের গন্ধে পাশ ফেরে পাখিদের ডানার পালক।
আমি তার সতর্ক কূহক সংস্করণ।
বিল্কি ছিল্কি ছড়া
কচু পোড়া
টাট্টু ঘোড়া
লাট্টুর বনবন
গলা চুলকে
মগ মুলুকে
বিলিকি ছিলিক কন।
আপনি গাধা
বেজায় ধাঁধা
চাঁদা পাঁচশ এক
বাপের বেটা
বেজায় ঠেঁটা
কেমন লাগে দেখ।
দেখলে হবে
খরচা আছে
চার’শ বিষের ঝাড়
কালো চাদর
আস্ত বাঁদর
জন্ম বঙ্গ রাঢ়।
মহৎ কচু
চুকিতকিত
কিতকিতানি বাঁশি
আমড়া গাছে
লুকিয়ে আছে
তোমার সর্বনাশী।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।