গুচ্ছ কবিতায় চিরঞ্জীব হালদার


তোমার সাথে এটা কাতুকুতু খেলা। কি কপাল। যদিও কোন ঈশ্বরী নেমে এসে বলবেনা দেখো কতটা টলটলে আমার অক্ষর।
কতগুলো ভাঙন আর গুড়জালি মাছের কোঁদলে
যুবতী হয়ে ওঠা জলে নূপুর খুঁজতে নেমে হয়ে ওঠো পরিপক্ক আতা।এসব আমাদের ডিস্টেম্পারিং স্বভাব আর কিছুটা অকালপক্ক চটুল আয়রনির কাছে বিকিয়ে যায় ঘনশ্যাম দাসের ছবি।
এমন এক চূড়ান্ত মূহুর্তে প্রুফ রিডার হারিয়ে ফেলেন তার গাঁধি চশমা। যার ডাঁটিতে লেখা থাকে
নিরুদ্দেশ কুমারীর হলফনামা।
আমরা কেহ দেখিবনা ‘অ ‘আর ‘আ’ র মধ্যে যন্ত্রনা কাতর বাবুই এক মনে দেখে চলেছে হৃদয় শিবিরের দিকে হেঁটে যাওয়া গায়িকার ভাঙা এস্রাজ।

যা ভেসে যা কলা পাতা খোদিত প্রেমিকার নাম
তোমাকে ঘিরে থাকে চাঁদামাছ অনন্ত বাদাম।
ভাসানের আগে পরে ভূর্জপত্রে লেখা ব্রহ্ম নাভি
স্বপ্ন আর হরধনুর মধ্যে বিরাজিত এইটুকু ভাবি
ভাবিতে ভাবিতে দেখি অষ্টমঙ্গলায় সিদুরে ডাব
যাহাদের প্রেমিকা জোটেনিকো ক্ষমা ঘেন্না ভাব
তবুও লিখিতে হয় মানব জন্মের প্রদাহ যিশুর
অনন্দী নেই উমরাহ জান কি প্রেমিকা বিশুর।
আজ কারা প্রেমে মজে বায়বীয় ঘরানা পৃথক
প্রতিটি প্রেমের পর কথ্য ভদ্রাসন করে দিন লক।
তারপর দুগগা মাইক্কী মন্দাসে ভাসুক পাসওয়ার্ড
করতল থেকে ওড়ে সন্ন্যাটামুগ্ধ টুইঙ্কিল বার্ড।

হাস্নুহেনার নিচে দাঁড়িয়ে দিনের ধর্ম ত্যাগ করার
পর ধর্মরাত্রি কে বলি
মার্জনা করবেন।
আমার শিকড়ের স্বপ্ন গুলো সিফন
পরিধানে এক একজন অবধূত।
আপনার বুলন্দী আসবাব উত্তরীয়ের পাশে
যাযাবর হরফের গুলতানির এরা সফল অনুবাদক।
আপনার থেকে এক কুনকে রাতশষ্য ধার দেবেন।
আমি অঙ্গীকার বদ্ধ ইহাদের সব ফুল
পাখি জন্মের দিকে নোলক ঠোঁটে উড়াল দেবে।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।