বারান্দার পৈঠায় নিজেকে তুলে পিঠটা দেয়ালে ঠেকিয়ে বসেছি
সাদা বাড়িটার দোতলায় নতুন বিয়ে হয়ে আসা বউ . সন্ধে দিল, এবার চা করবে
আমার মাইনাস পাওয়ার, পুরনো চশমা
বিশ্বাস করো! ওর গা-ধোওয়ার দৃশ্যগুলো এখান থেকে দেখা যায় না
রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে একটা সালোয়ার কামিজ . অনেকক্ষণ মোবাইলে বকবক করছে
মার্কারি আলোয় সন্ধে নামা দেখতে গিয়ে আমি একটা বর্ণও শুনতে পাইনি
চৌকস যে মোটরবাইকটা রাস্তায় টর্চ মেরে চলে গেল
তার সুইগিপনা বুঝতে বুঝতে আমার মুড়ির বাটি ফাঁকা হয়ে যায়
রক্ষিত স্যারের গতি সূত্ররা থ হয়ে গেছে অনেকদিন
ওঁর শুকনো কুয়োতলার বেলগাছ . ভুলে বসে আছে মাধ্যাকর্ষণের হুমকি ভাষা
পালেদের সুপুরিমাথা
প্রজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঝাঁকড়া নারকেল চূড়ার সামনে
আমাদের আমগাছে একটা বুড়ো কাকের শব বেশ কিছুদিন . অকেজো ডানা নিয়ে আটকে ছিল
গায়ে হাওয়া মাখতে মাখতে ভাবি . ওর কাছে সময়মতো চাইলে কি . একটা পালক দিত না…
সংক্রমণ
একটা গোলাপ ঠোঁটে পাপড়ি বোলাবে
এই আশায়
আমি ভোরের শিশিরে বাগানে গিয়ে বসতাম
পা টিপে টিপে উঠে আসত দুর্দান্ত ডিমের কুসুম
মালি আমায় শিখিয়ে দিয়েছিল . কলম বানাতে . আগাছা তুলতে . চায়ের আড্ডা থেকে পাতা তুলে . গোড়া ঢেকে দিতে
একদিন বিকেলে মসৃণ ডালে কাঁটা এল
ভোরে গোলাপ না পেয়ে . ছুটে গেছি ফুলহাটে
থরে থরে সাজানো গোলাপ…
হাতে তুলে দিতে দিতে . দোকানি ফুলের মুখে ফুঁ দেন
গোলাপ ডাগর হয়
মখমল পাপড়ির ঠোঁট ছোঁয়ার ইচ্ছেটা
বেমালুম চাপা পড়ে যায়৷