জগজ্জননী মা দুর্গার আগমন বার্তা আকাশে বাতাসে
ফুলের দোলায় শিউলি ফুলে আর কাশে
শালুক আর পদ্ম পাতার ভালোলাগা নিমেষে নিমেষে
দূরে গগনে দেখি এক জোতির্ময় স্নিগ্ধ আলো —-,
মৌমাছি গুনগুন করে গুঞ্জন স্বরে ফুলে ফুলে ঢলো।
মা দুর্গার মন্ত্র ধ্বনি আগমনীর সুরে বেজে ওঠে
মোবাইলে আর চারিদিকে মানুষের ভীড়ে।
প্রফুল্ল নয়ন মেলে শরৎ প্রকৃতির সাজ দেখে সর্বজনে
মা আসছে মা আসছে, দেখ রে চেয়ে ঐ জোতির্ময় আলো।
ত্রিনয়নী দশভূজা আগমনীর প্রাঙ্গণ তল সবুজ ঘাসে
ঢাকা। প্রতিমা তৈরির পতিতা গৃহের উঠানের কাদা,
নইলে মা দুর্গার মৃন্ময়ী রূপে হবে না প্রতিষ্ঠা।
ঐ ইতিহাসের কথা পুরাণে বর্ণিত জানে কয়জনা?
সব কথার উল্টো মানে করে মায়েরে করে বঞ্চনা।
মায়ের আলোর ছটায় দেখবে জগজ্জনা, ঐ আলোতেই আলতো ছোঁয়ায় বাঁচবি তোরা মায়ের ছলনায়।
গর্ভধারিণী মা যে তোর দুর্গারই এক রূপ,
যার প্রতীক্ষায় গুনছিস দিন দ্যাখ তো তোর মায়ের মুখ।
মা আসছে আনন্দ আর ধরে না। ঘরের মাকে একটু ভালোবাসিস না। শিউলি ফুলের ফুলদানি টা মায়ের হাতে,আর এক মায়ের সেবা তে ঠাকুর ঘরে আসে যে।
আগমনীর সুর তোলে তানপুরার ঐ তারে। মা দুর্গার গান গেয়ে আলো ছড়ায় যে সংসারে—-
প্রথম প্রফুল্ল জগতের মা দুর্গার না তোর গর্ভধারিণী মায়ের?
জগত জুড়ে উদার সুরে মা—মা—ঐ দেখা যায় আলো রে।