T3 সাহিত্য মার্গ || ১৫০ তম উদযাপন || সংখ্যায় বেবী কারফরমা

দেখানো
এক শ্রাদ্ধ বাসরের শোকসভায় উপস্থিত থাকবো বলে স্ত্রীকে সঙ্গে বেড়িয়ে পড়লাম। কিন্তু পৌঁছে গিয়ে ভেতরে যাওয়ার আগেই পা থমকে গেল। যদিও সময় হাতে ছিল কিন্তু ভেতরে খাওয়ার তোড়জোড় দেখে আমি ভাবলাম কোন ভুল জায়গায় এসে পড়িনি তো? ঠিকানা যদিও এখানকার ছিল, তবুও কনফার্ম হওয়ার জন্য একবার ফোন করলাম।
“তুমি কতদূর এসেছো?”
“আমরা তো হলের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি”
“দাঁড়াও আমি আসছি”
ফোনে কথা বলতে বলতে সে কাছে এসে গেল। আমি হাত জোর করে দুঃখ প্রকাশ করবো এমন সময় সে আমার হাত ধরে টানতে টানতে ভিতরে নিয়ে গেল আর আমায় কিছু জলযোগ করতে বলল। আমি ইতস্তত করতে করতেই প্লেট ধরতে বাধ্য হলাম।
“জলযোগের শেষ হলে ভেতরে চলে এসো” বলে সে চলে গেল।
খাবারের কত রকমের স্টল – লুচি, ছোলার তরকারি, ভাত, রাজমার তরকারি, ডাল মাখানি, পাওভাজি, কুলচা………! আরেকদিকে স্ন্যাক্স, কফি, কোল্ড ড্রিংক, আইসক্রিম আরও অনেক কিছু……
আমি এইরকম এই প্রথমবার দেখলাম, বুঝতেই পারছিনা এটা শোকসভা না উৎসব বাড়ি!
মানুষ নিজেকে বড়ো দেখাবার জন্য কত কিছুই না করে!
বাইরে বিশাল খাওয়া দাওয়ার আসর আর ভেতর থেকে কান্নার শব্দ ভেসে আসছে।
পরে শুনলাম এটা কেবল মাত্র জলখাবার ছিল, শোকসভা শেষে দুপুরের খাওয়ার এলাহি আয়োজন করা হয়েছে।
মূল লেখক- রমেশ কুমার ‘সন্তোষ’ (অমৃতসর, পঞ্জাব)