কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে বিচিত্র কুমার (গুচ্ছ কবিতা)

১| এক মিনিটের প্রেমিকা

হঠাৎ দেখা,এক মিনিটের প্রেমিকা
একপলকে হারিয়ে গেল সেই অনামিকা,
আনছান বুকের ভিতর শিরা উপশিরায়
কোথায় গেল কোথায় গেল আধো-আলোয়?
সে ছিলো হাজার ফুলের মাঝে একটি গোলাপ
আমার না বলা কথা গুলো হলো না আলাপ।

২| উর্বশী

তোমার বৃষ্টিভেজা তুলতুলে শরীর
হার মানায় ফুটন্ত লাল গোলাপকেও,
আমি পুরুষ বলেই হয়তো —
সুন্দরের পূজারী রূপের পিপাসীও।
তুমি হয়তো ললনা উর্বশী
তাইতো বারবার বলি ভালোবাসি।

৩| মধু হই হই

কলিযুগের মেয়েদের শরীরে আমি
দ্রৌপদীর শরীর গন্ধ পাই,
হক না সে গোলাপ কিম্বা রজনীগন্ধা
চতুর্দিকে শুধু খাই খাই শব্দ পাই।
মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে দুর্যোধন হই
ফুলে ফুলে শুধু মধু হই হই।

৪| দেবদাস

তুমি বনলতা কিম্বা লাবণ্য নও
নও তুমি উর্বশী কিম্বা মাধবী,
তবু তুমি ঝড় তোলো হৃতপিণ্ডে
তুমি নারী ললনা প্রেমের দেবী।
তোমার রুপে জ্বলেপোড়ে হয়েছি তাস
আমি এখন কলির দেবদাস।

৫| আকাঙ্ক্ষা

আমি যখন চৈত্রখরা রৌদ্র হই
তখন তুমি হয়ও পাখি চাতক,
একপসলা বৃষ্টি হয়ে এসো তুমি
আমি না হয় হবো ঘাতক।
রঙধনুর রঙে রাঙাব আমার আকাশ
প্রিয়া তুমি হয়ও আমার শীতল বাতাস।

৬| হৃদয়ের অঙ্কন

আমার কল্পনা জগতে ছিলো
এক অচিনা নারী,
সে যেন ঠিক রঙিন প্রজাপতি
কিম্বা অপ্সরা পরী।
স্বপ্নে তাকে জরিয়ে ধরি
আঘাত খেয়ে দুজন মরি।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।