কাব্যক্রমে বিপ্লব গোস্বামী

ব্যঞ্জনবর্ণে কৃষ্ণ ভজন
ক – কলিযুগেতে বিষ্ণদের গৌরা-চৈতন্য রূপ ধরি।
খ – খোল করতালে সংকীর্তনে নাম বিলালেন হরি।।
গ – গোপাল-গোবিন্দ-হরি-শ্রীমধুসূদন
ঘ – ঘরে ঘরে করো হরির নাম সংকীর্তন।
ঙ – শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্ম চতুভূজধারী
চ – চন্দন তুলসী পুষ্পে তুষ্ট যে মুরারী।
ছ – ছয় গোসাই করেন হরি নাম প্রচার
জ – জগদ্বিশ্বর হরি করেন পাতকী উদ্ধার।
ঝ – ঝুলনেতে রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলন
ঞ – গোসাঞ অদ্বৈত্য করেন প্রেম বিতরণ।
ট – টলমল আঁঁখি বারি গদগদ ভাব
ঠ – ঠাকুর গৌরা চাঁদের এমনি স্বভাব।
ড – ডোরহি-কৌপিনধারী গৌর চন্দ্র রাও
ঢ – ঢাকা দক্ষিণেতে প্রভুর পৈতৃক গাঁঁও।
ণ – বেণুর শব্দে শ্রীরাধার উথলিত মন
ত – তমাল তলায় বাঁঁশি বাজায় জনার্দন।
থ – থৈ থৈ জমুনা জলে বিহার করেন হরি
দ – দয়ার সাগর হরি ভাক্তেরে নেন তরি।
ধ – ধেনু রাখে রাখাল রাজা যমুনার তীরে
ন – রাধার মন না বসে কাজে বাঁঁশরীর সুরে।
প – প্রেমের সাগর কৃষ্ণ রসিক রসের নাগর
ফ – ফাগুন বসন্তে রঙে ভাসান এ ভব সাগর।
ব – ব্রহ্মা শিব নারদ সদা
করেন যার ধ্যান
ভ – ভবসিন্ধি তরি বারে করো কৃষ্ণ নাম গান।
ম – ময়ূরপুচ্ছ শোভে শ্রীকৃষ্ণের চূড়ায়
য – যমুনার কুলে বসে কৃষ্ণ বংশী বাজায়।
র – রাম রূপে রাক্ষস নাশি সীতার উদ্ধার
ল – লীলাধারীর লীলা বুঝার সাধ্য কার।
ব – বকাসুর বধ করেন নন্দের নন্দন
শ – শৌনক আদি মুনি করেন যার স্তবন
ষ – ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর সদা জপ সবে
স – সকল বিপদ হতে রক্ষা পাবে তবে।
হ – হরে কৃষ্ণ হরে রাম ষোল নামের মহামন্ত্র
ড় – বাড়ি বাড়ি বিলাইলেন গৌর মঞ্চতন্ত্র।
ঢ় – আষাঢ়ে রথের মেলায় মাতে তীর্থ পুরী
য় -যথায় বাজারে বিকায় প্রসাদের হাঁঁড়ি।
ৎ – মৎস্য অবতারে করেন চারি বেদ উদ্ধার
ং – কংসাদি সব অসুর নাশি রক্ষিলা সংসার।
ঃ – দুঃখ মুচনকারী কৃষ্ণ রাধার জীবন
ঁ – চাঁদের জ্যোৎস্না সম যাহা অপূর্ব বদন।
অধম গোসাই লইনু শ্রীকৃষ্ণ শরণ
অন্তে যেন পাই রাধা কৃষ্ণের চরণ।
এলো হেমন্ত
মাঠে পাকা আমন ধান
জলে ভরা দীঘি ,
ঘাসে লাগা শিশির করে
রোদে ঝিকি -মিকি।
চাষিরা আজ বেজায় খুশি
গোলা ভরা ধান ,
ধান ভানতে কুনকুনিয়ে
গায় গিন্নী গান।
মাতিয়েছে আজি গ্ৰামবাংলা
এলো উৎসব নবান্ন
হেমন্তিকায় যে জন মাতে
তার তো জীবন ধন্য।