সাহিত্য ভাষান্তরে বাসুদবে দাস

রেখা
ডঃপূর্ণ ভট্টাচার্য
মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ
সরল রেখাটা বাঁকা
কারও মন,ধারণা অথবা দৃষ্টি,নতুবা ভুলের জন্য সরল
দেখি।সরলরেখাটা যদি সরল হত সোজাসুজি
এগিয়ে যেত না।
বাঁকা রেখাটা আসলে সরল।সোজাসুজি যেতে থাকলে
গতির বল অধিক।রেখার মধ্যে তুমি খুঁজে পাবে
স্যার আইজাক নিউটঙ্কে,অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে।
গতিসূত্র।আপেক্ষিকতাবাদ।সরলরেখার তুলনায় বাঁকা।
কখনও একটা রেখা টানার জন্য টেবিলটা এগিয়ে আসে।
টেবিলটাতে একটা সাদা কাগজ।একটা রেখা টানি যা সরল
অথবা বাঁকা কিছুই নয়।সরল বলে মনে হলে গ্রাম থেকে
উড়ে আসে পাখি,জলের মাছ উঠে আসে রাতের মুষলধার
বৃষ্টিতে।বাঁকা হলে বিদ্যুতের তারে লেগে মরে থাকা পাখি
একটা গান গায়।
সোজা হয়ে বসি।স্বপ্নে ডুবে যায় শৈশব।ঈশ্বর নাকি
এভাবেই বসেছিল।শৈশব নয়,আলোতে ডুবে থাকা
মায়ের মুখের গান।
বাঁকা হয়ে বসি।আমার শহরে পূর্ণিমার চাঁদটা মরে
রয়েছে। শহরের প্রতিটি পথে অমাবস্যা। সরলরেখাটাকে
কেটেছে বাঁকা রেখাটা। না,বাঁকা রেখাটা কাটা পড়েছে
সরলরেখায়।