সাহিত্য ভাষান্তরে বাসুদেব দাস

মানুষ,জীবন এবং বৃষ্টি
নন্দসিং বরকলা
মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ
আকাশ এবং মাটির প্রেমের কথা বাতাস ফিসফিস করে নদীকে বলল
এক দুরন্ত আকাঙ্খায় মেঘের মাটি স্পর্শে রজস্বলা ঋতু
আর সবুজ সন্তানের সঙ্গে মাছের রঙ্গিন চোখে আকাশ নাচছে
বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে চকচকে হয়ে উঠা চোখে মাটি এবং আকাশ হওয়ার আশা
বৃষ্টি এবং মাটির মতো হওয়ার জন্য রঙ মাখা মাঠে জেগে উঠেছে কৃ্ষকের কণ্ঠস্বর
গাছের ডালে চোখের জলের দাগ,এই দাগে সাঁচিপাতের পৃথিবী একটার বিলাপ
বিলাপ কেবল বৃষ্টির,বৃষ্টিতেই জীবনের যাত্রা…
এই যাত্রায় আকাশের চাঁদ,
সকালের পাখির শোভাযাত্রা,
কৃ্ষকের কোলাহলে বর্ষা আরও যেন
পিতামহ,প্রপিতামহ পোত খাওয়া কলং ,কপিলী,হারিয়া,বুড়িদিহিঙের
প্রাচীন কণ্ঠস্বরে হাতে ধরি একটা যুদ্ধের ইতিহাস
একদিন আলোর আস্তরণে ভেজা দুহাত মেলে ধরেছিলাম একটা মাঠ
এক সুরের সমলয়ে আকাশের অভিসার মাটির সঙ্গে
রঙ ঢালা … ফাগুনে গাছের উদাসী মন
যেন আলো-ছায়ার খেলা… লুকোচুরি
রত্নাকর না দধীচির দিন …সাঁচিপাত কোথায় (?)
খোঁজে হৃদয়মুলুক বন্ধকে রেখে
আকাশের সঙ্গে বাতাসের গায়ে এই প্রেম…
বৃষ্টিতে নেমে আসুক মানুষের গান
ভেতরে –বাইরে রঙ আর প্রেমে ভিজুক মানুষ
নদীর সঙ্গে মানুষ আর বৃষ্টি যেন জীবনের বসন্ত