প্রবাসী ছন্দে বিপুল বিহারী হালদার (রোম ইতালী)

সুহৃদ
চারিপাশে যাহারা আছে বা আছেন তাদের
দোষ গুন বিচার আর আমি করিনা,কারণ
আমি কি সঠিক?আমার কি ভুল নাই?আমি
মহাপুরুষ নই ভালো মন্দ ভুলে গড়াইতো
মানুষের সংকীর্ণ জীবন।
এই ক’দিনের পৃথিবীতে একটু সুবর্ণ রেখা
যদি রেখে যেতে পারি সেটাই করা ভালো
নয় কী?চিত্রগুপ্তের খাতায় তো জমা খরচ
কৃত কর্মের ফলের হিসেব দিতেই হবে।
যাকে শত্রু বলে মনেহয় সেই হয়তো হবে
আমার শব জ্বালাবার শ্মশান ঘাটের যাত্রি
কপালে দেবে চন্দন ফোঁটা ফুলের মালা-
তাই কম্বল তৈরি হয় মেষ বা বন্যপ্রাণীর
লোম দিয়ে আমরা -আমি যদি কম্বলের
লোম বাছা শুরু করি এক সময় লোম
বাছতে বাছতে শেষ পর্যন্ত কম্বলটাই তো
আর থাকবেনা কম্বল হারিয়ে যাবে।
কাজেই লোম না বাছাটাই ভালো মনে হয়,
তা হলে যে ওই এক ঘরে হয়ে থাকতে হবে
কূপমন্ডুকের মধ্যে। হবে বিতৃষ্ণার জ্বালা
নার্ভের রোগে হবে ক্ষীণ আয়ু, বাঁচার পরিধি
যাবে ক্রমশঃ কমে, বহুমূত্র রোগে ধরবে ঘিরে
লোকসান বই লাভ বিন্দু মাত্র নাই।
মানুষকে মানুষ ভাবা বা ভালো মূল্যায়ন
করলে নিজেও মূল্যবান হওয়া যায় শান্তি
মেলে মনে।দুশ্চিন্তা থেকে যে ভয়ানক রোগের
সৃষ্টি হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
অন্যের দোষ গুন না বিচার করে নিজের
চেতো দর্পণ মার্জনং করা অনেক ভালো
তাই চারিপাশে যাহারা আছে বা আছেন
জীবদ্দশায় তাদের সাথে সুহৃদ রেখে নিজে
একটু ভালো থাকাটাই ভালো নয় কী?