কবিতায় বীথিকা ভট্টাচার্য

ইচ্ছে ডানা
ইচ্ছেগুলো স্বাধীন চেতা, উড়ছে হাওয়ায় খামখেয়ালে,
চায়না তারা বন্দী হতে, বোতাম আঁটা চার দেয়ালে।
বাঁধন ছিঁড়ে মুক্তি দিলে হয়তো হবে সেচ্ছাচারী,
তাইতো রাখি মুঠোয় এঁটে, লাগাম টেনে বন্দী করি।
প্রতিবাদী মনটা যখন, সোচ্চারে চায় কইতে কথা,
মুখের কথায় কুলুপ আঁটি, নয়তো দেবে শ্রবণ ব্যথা।
বাড়তে দেওয়া ইচ্ছে যখন, অসংযত ব্যভিচারী,
দুর্বিনীত মাত্রা ছাড়া, হয়তো তারা অত্যাচারী।
ফসকা গেরোর ইচ্ছে যত, যাপন ব্যথায় দুঃখ ভোগ,
মনের মধ্যে প্রলেপ দিয়ে,শুধরে ফেলি ইচ্ছে যোগ।
শুভ কাজের ইচ্ছেগুলো উড়ুক মেলে খুশীর ডানা,
তখন তাদের মদত যোগাই, বাঁচিয়ে রাখি ষোলো আনা।
ভালোবেসে কাছে ডাকি, আটকে রাখি অবাধ সুখে,
ইচ্ছে গুলো উড়ান ডানায়, দিই উড়িয়ে আকাশ বুকে।
কলম দিয়ে আঁকতে পারি, ইচ্ছে সুখে কলমকারি,
প্রতিবাদী ভাবনা গুলো, কলম খাতায় বন্দী করি।
দুঃখ নদীর জলের স্রোতে, লিখতে পারি দুঃখ যত,
না পাওয়া সব ইচ্ছেগুলো, বাড়িয়ে তোলে মনের ক্ষত।
তোমার আমার ভালবাসার, পাগল করা ইচ্ছেগুলো,
কোথায় কখন ভেসে গেছে, পথ হারিয়ে, কোন সে চুলো।
নিশীথ রাতের স্বপ্ন হয়ে, কান্না ধোয়া চোখের জলে,
ইচ্ছেরা সব আবছা আলোয়, হাতড়ে খুঁজি মন অতলে
আর আসেনা ইচ্ছে কোনো জাগিয়ে দিতে নতুন আশা।
থাক না তারা বন্দী হয়ে, দিক ভেঙ্গে সব মন হতাশা।।