কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে বশির আহম্মেদ

অমার্জিত রাষ্ট্রব্যবস্থা
এখানে সভ্যতার কথা বলতে এসোনা
সভ্যতা আজ লুণ্ঠিত ক্ষতবিক্ষত বিকৃত মনোরথের করাল আক্রমনে।
সভ্যতার পাঁজর ভেংঙে অমার্জিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় নিমগ্ন অসংখ্য অসজ্জন
মানুষ।
পরিবর্তনের লক্ষণ যেনো
কোন দুর্লভ প্রাপ্তির প্রয়াস
প্রতিদিন গুম হত্যা ধর্ষণের মতো
নিকৃষ্ট মনোরথ যেন নিয়মের কোঠায়
আবদ্ধ কষ্টার্জিত স্বপ্নের সোনালী
স্বদেশের পটভূমিতে।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী প্রতিচ্ছবি
যেনো দেশদ্রোহীতার অপরাধে দণ্ডিত হয় শোষকের কাঠগড়ায়।
প্রকৃত অপরাধী সভ্যতার মুখোশ পরে
নেতৃত্ব আদায় করে নেয় বিবেকহীন
নেতার নৈকট্য থেকে।
এদিকে বছরের পর বছর
সভ্যতা ঢুঁকরে কাঁদে
আশার কলি মরে যায়,
অন্তহীন বেদনায় হৃদয় চৌচির।।
সভ্যতার মুখোশ পরা উচ্ছিষ্ট
নরাধম গুলো মুখরিত জনতার
রঙ্গিন মঞ্চে উপবিষ্ট হয়ে
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে
পরক্ষণে ছুটে যায় বক্ষক বনে।
নির্বোধের দেয়ালে আবদ্ধ থাকে
সভ্যতার অসহায় মলিন প্রতিচ্ছবি
এ আমার বাংলাদেশ
এ আমার সম্ভ্রম হারা বোনের করুণ আর্তনাদের কম্পিত মাটি
এ আমার যুদ্ধ থেকে না ফেরা ভাইয়ের
দুঃখিনী মায়ের শুন্য আঁচল।