মি টু আন্দোলন ১৫ অক্টোবর ২০১৭তে এলিসা মিলানো হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী, টুইটারে একটা টুইট করেন। (American actress Alyssa Milano posted on Twitter, “If all the women who have been sexually harassed or assaulted wrote ‘Me too’ as a status, we might give people a sense of the magnitude of the problem,” saying that she got the idea from a friend.) আচমকা এই টুইট টা ভাইরাল হয়ে যায়।তারপর অনেক পত্র পত্রিকা তো আছেই। এর মধ্যে ইয়াহু, গার্ডিয়ান, বোস্টন গ্লোব ওয়াশিংটন পোস্ট নিউ ইয়র্ক টাইমস ইত্যাদি বড় বড় পত্রিকা ব্যবসা করেছে। এবং সারা পৃথিবীকে একটা আসোয়াস্তি জায়গায় নিয়ে গেছিল।সিনেমার অভিনেত্রীরা অধিকাংশই মেয়ে ধর্ষক। তারা তাদের খ্যাতির জোরে, যেকোন পুরুষকে দিয়ে তাদের যোনি ধর্ষণ করায়, এবং তারা যেভাবে খুশী হতে চায় সেভাবে।
এলিসা মিলানো Alyssa Milano নিজেই একজন ধর্ষক। সে ভাবেনি, তার যৌন অপকর্মের কথাও সারা পৃথিবী ছড়িয়ে যাবে।https://bit.ly/2IEEYah
আরেক মি টু আন্দোলনের নায়িকা এসিয়া আর্জেন্টিনো, ছেলের বয়েসী জিমিকে ধর্ষণ্ন করত।
এরকম বহু ব্বেঋয়ে এসেছিল। কিন্তু মিডিয়া জানে এগুলিতে ব্যবসা নেই। তাই কম প্রচার হয়েছে।এলিসা মিলানো Alphy Soda Pop Club বলে একটা অল্পবয়েসীদের স্ফুর্তি ও নাচার ক্লাব ছিল এলিসা সেখানকার একজন সদস্য। সেখানে অল্প বয়েসী যারা যৌন আবেদন চাইত তাদের বড় খদ্দেরদের সাথে যোগ করিয়ে দিত। এছাড়া দেখুন এলিসা কয়টা বিয়ে করেছে ও কয়জনের সাথে সহবাস করেছে।
মিটুতে আবার কোথাও ৫০ বছর আগে কে তাকে যৌন আক্রমন করেছে তার প্রতি প্রতিশোধ নিতে শিখেছে ৫০ বছর পর, এটা কি নাটক নয়? যোনী সংস্কৃতি নয়? নারী সেখানে স্বাধীন, নিজেকে প্রকাশ করতে পারছে। নিজের যৌনতা বিকিয়ে পুরুষের কাছ থেকে তার বাঁচার নিরাপত্তা কিনতে পারছে। (উদাহরণঃ আমাদের সমাজে নারী বিয়ে ইচ্ছেমতো করুক বা পরের ইচ্ছায়, অভিভাবকের ইচ্ছায় করুক, যার বাড়ি ঘর টাকা আছে, সেখানে ছেলে দেখতে খারাপ হলেও নারী ধনবানকে বিয়ে করে, বুড়োকে বিয়ে করে। প্রেম করে। উলটো দিকে পুরুষ ধনবান দেখেনা, সে দেখে কে বেশী সুন্দরী।কত অল্প বয়েস। দুজনের চাওয়া পাওয়ার জায়গাটা ভিন্ন রকমের। নারী ভাল গরীব ছেলেকে বিয়ে করেনা। অর্থাৎ তার যোনীর শরীর টাকা বা সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত) এ সবই স্থান কাল পরিবেশ ও পাত্র পাত্রী ইত্যাদি নির্ভর হয়ে বিচার্য । গ্রামের মেয়েদের ( যেখানে শহরে কৃত্রিম সভ্যতা পৌছায়নি) সেখানে ধর্ষকের সাথে মেয়েটির বিয়েও হয়, স্বামী স্ত্রী হিসাবে ঘর কন্যা করে। গ্রামের বিচার বুঝে, কোথাও মহিলা চুপ থাকে বা গোপন প্রেমে পরিণত করে চলে ইত্যাদি একরকম, আর শহরের আধা শহরের চিত্র অন্য রকম।
এরকম সারা পৃথিবীতে আছে; শুধু কৃত্রিম ও সুযোগ সন্ধানী নারী পুরুষের শহর, আধাশহর বাদ দিয়ে। শহর আধা শহরে যা করে, তা হল যার ক্ষমতা আছে সে মহারাজার মত ভোগ আর যার ক্ষমতা নেই সে করে সবকিছুর দুর্ভোগ। এটা একটা ঘৃণ্য দর্শনের বস্তুজগত।
পৃথিবীতে কোন নিশ্চল বা স্থির static মান দন্ড নেই। আইন ভিন্ন রাস্ট্রের ভিন্ন রকমের। তার উপর আইন থাকলেই রাজা আইন মেনে চলবে এমন গ্যারান্টীও নেই। রাজা ( ক্ষমতাবান রাজনৈতিক) কাউকে ধর্ষন করলেই যে শাস্তি পাবে তার নিশ্চয়তা আছে? দেখা যায় রাজা ধর্ষন করে মহিলার লাশ জাদুকরের মত হাওয়াতে মিলিয়ে দিয়েছে। শুধু মেয়েটিকে নয় মেয়েটির বাবা মা আত্মীয় স্বজন যারা সাক্ষী ছিল তাদের সবাইকে। বা মেয়েটি প্রচুর টাকা পেয়ে, ভয় পেয়ে মিডিয়ার নাগাল থেকে সহস্র যোজন দূরে চলে গেছে। কতকিছু হয়। আর এসব হয় যেখানে যোনি সংস্কৃতি বজায় থাকে।
আমার ২য় জায়গাটা হল মানুষের পূর্ব পুরুষের জায়গাটা।
আমি আগেই বলেছি যৌন সংগম পুরুষ করে ( অধিক প্রেক্ষাপটে, ঘরের বাইরে, ধরে নিতে পারেন কর্ম স্থলে, সে একজন নারীর সাথে সহমর্মিতায়, প্রেমে এক হতে চায়। মানে বলতে চায়, ‘চল, আমরা একে অপরকে ভালবেসে এই কাজ গুলি করি, তাতে ভাল ফল আনতে পারব।‘ সে হার্ভের মত ফিল্ম প্রোডিওসার বা কসবির মত অভিনেতা বা বিবিসির কোন সাংবাদিক যেই হোক, সে নারীর কোন ক্ষতি বা ক্ষত সৃষ্টি চায়না। কিন্তু নারী এমন ভাবে ছোটবেলা থেকে বড় হয়, তাকে শেখানো হয় কতগুলি যৌন সংস্কার। যেই সংস্কার গুলি নারীকে পুরুষ থেকে আলাদা কর দেখে। পুরুষের ছোঁয়ার উপর বিচার সৃষ্টি করে। সেখান থেকে তার ক্ষতপূরণ বলে কিছু সুবিধা আদায়ের ভাবনা শেখায়, ও সেই বিচারে কেউ দোষী হলে তা আইনের আওতায় নিয়ে আসে।শাস্তি দিতে। শাস্তি কি সব সমাধান?
সেই একই মেয়ে যখন যেই পরিবেশে ঢুকে সেই পরিবেশের নিয়ম মেনে নেয়।কোথাও অভিযোগ আনে কারণ তাতে তার স্বার্থ সিদ্ধির উপায় দেখে, আবার কোথাও অভিযোগ করার জায়গায়ই থাকেনা।
জর্জ উইল একজন কলাম লিখিয়ে। ওয়াশিংটন পোস্টে লিখতেন এবার ও লিখেছেন। লেখার শিরোনাম ছিল বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ধর্ষিতা হওয়াটা একটা প্রলোভিত অবস্থান যেখান থেকে ধর্ষিতারা নানা সুযোগ সুবিধা পায় (ran in the Washington Post and New York Post, columnist George Will caused outrage for writing that being a rape survivor on college campuses is now a “coveted status that confers privileges.” )
১।ক)একজনবিবাহিতমহিলা, সেসারাদিনঘরেথাকে।নিজেকেহাউসওয়াইফবাগৃহবধূপরিচয়দেয়।তারকাজস্বামীযাযোগাড়করেআনবেসেইযোগাড়েরউপরতারখরচবাব্যবহার।স্বামী৫টাকাআনলেএই৫টাকারভিতরতারজীবনচালাতেহবে।দেখাযায়, আমাদেরদেশেরযাঅর্থনৈতিকব্যবস্থা, তাতেসমস্তজনসংখ্যারঅর্ধেকবেকার।স্বামী৫টাকাআনলেঘরচলেনা।নুনআনতেপান্তাফুরিয়েযায়।ঘরেআরো৫টাকাচাই, তাহলেঘরমোটামুটিচলে।এই৫টাকারজন্যনারীপ্রত্যেকঘরেইপুরুষকেঅশান্তিরআগুনেপুড়িয়েমারে।তাকেউঠতেবসতেএমনআচরণকরেযেনসেপশুরওযোগ্যনয়।তারমুখেঅশালীনকথা, তারস্বর, তুচ্ছতাচ্ছিল্যতা। ফলে পুরুষ সুইসাইডের সংখ্যা বিয়ের পর বাড়ছে।