কবিতায় অদিতি সেন চট্টোপাধ্যায়

ব্যবসায়

মায়ের স্তনে মুখ দিয়ে টেনে নিতে চাইছি দুগ্ধ, আকন্ঠ স্নেহতৃষ্ণায়…
ঠিক তখনই সামনে এগিয়ে আসছে উত্থিত লিঙ্গ।
মুখে না যোনিতে,
এই দোটানার মধ্যেই
মুঠোতে পেয়ে যাচ্ছি মায়ের আঁচল।

খোলস ছেড়ে যাচ্ছে।
প্রত্যেকটি লিঙ্গের সঙ্গে সঙ্গম শেষে
ছেড়ে যাচ্ছে খোলস।
পরতে পরতে
মসৃণ, আরো মসৃণ হয়ে উঠছে মন।

বৃষ্টিরাতে, ডাহুকীর খোঁজে ডাহুকটি ঘরে ঢুকে এসেছিল, পথ ভুলে।
আমার প্রথম খোলসটি তাকে দিয়েছিলাম।
প্রতি-উপহারে পেয়েছিলাম তার জিহ্বা।
তারপর থেকেই পোকামাকড়রা আমার জিহ্বাকে ভয় পেতে শুরু করে।

সে ছাদ থেকে সটান আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিল, আমি ছাদের দিকে।
মন্থন দণ্ড অমৃতের সন্ধানে প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছিল।
আমি সমস্ত অমৃত মস্তিষ্কে ধারণ করে রেখেছি, দণ্ড জানে না।
দণ্ড আশরীর শুধুই গরল মন্থন করছে।
‘শরীর জুড়ে বিষ’…
সে ছাদ থেকে আমার চোখে চোখ রেখে বলে উঠল, ‘ঠিক, ঠিক, ঠিক’।

আমার এখন মুখোশ চিনতে ভুল হয়না।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।