আগমনী সুরে কাশের দোলায়
বাজল যে সুর
বাজল তোমার আলোর বেনু
মাতল ভূবন…..!
মেয়েটি আকাশের কাছে একমুঠো
নীল আশ্বাস চেয়েছিল।
মেঘের কাছে শ্বেত শুভ্র আভা।
মেঘ আর আকাশ সমস্বরে বলে উঠল
নিশ্চয় দেব, আগে তো
শাল, সেগুন শিরীষের কাছে
শালপ্রাংশু উচ্চতা চাও!
কিংবা গন্ধরাজের পাতায় পাতায়
সালোকসংশ্লেষের গভীর ফোটন কণা।
ডেকে বলে দখিনা বাতাস,
ওগো মেয়ে…
মাধবীলতার সবুজে সযত্নে রাখা
আছে তোমার যৌবন,
গোলাপের গালে গালে সুরভিত লালিমা,
তুমি কি নেবে মেয়ে?
নদীর ঢেউয়ে ঢেউয়ে বয়ে আসে যে লাবন্য
নিয়ে নাও মেয়ে, লুটে পুটে
মেখে নাও সারা অঙ্গে তোমার!
শিউলি জানেনা এখনো অনাঘ্রাতা
তোমার কোঁচড়ে ওঠাতেই কি
অপার্থিব সুখ!
চারপাশে উড়ে বেড়ানো কাঁচপোকার দল,
সবচেয়ে উজ্জ্বল যে পোকাটি…
টিপ হয়ে দিতে চায় তোমাকে তার
নিজস্ব সব রং।
প্রজাপতি তার পাখার রোমাঞ্চিত
অনুভূতি দিয়ে…
মিশে যেতে চায় অঙ্গশোভায়!
অনির্বচনীয়া…কনকলতা
তাদের কি সে সুখ তুমি দেবে মেয়ে?
দেবে তো?