সাতে পাঁচে কবিতায় আবদুস সালাম

গৃহকর্ত্রী মা
নিবিড় প্রার্থনায় পড়ে থাকে অবিরত
নৈঃশব্দের ঝিঁ ঝিঁ ডাকে
প্রহরাবিহীন লবনাক্ত শরীর
চোখের কোনায় মেখে নিয়েছে কালির আলপনা
সুখ প্রত্যাশার উপন্যাস লিখে নিয়েছে শরীরে
বিয়োগান্তক সমাপ্তির প্যান্ডেল ঝলসে ওঠে
প্লাবন নামে শরীরী ভূগোলে
প্রাচীন জলাশয়ে খুঁজে পায় অসমাপ্ত উপন্যাসের পান্ডুলিপি
পার্থীব্য শূন্যে ঝুলে আছে বিকেলের বিকাশ
অসফল দিনের সব মনখারাপ জড়ো হয়ে হয়ে তৈরি হয়েছে অবসর হীন পাহাড়
নিরাকার ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন নষ্ট মানচিত্র
কুহেলি মাখা সকাল নেমে আসে বারান্দায়
চা বেলা পেরিয়ে ভাতবেলা আসে
শ্যাওলা গজায় তাপ্পিমারা শাড়িতে
সব আবদার জড়ো হয় বিকেলের রোদে
নুইয়ে পড়ে কোমর
বিদেশ খাটা পুরুষ বাড়ি ফিরলে কুলোটার টিপ পড়িয়ে দেয় কপালে
আকাশ ভেঙে পড়ে মাথায়।