গদ্যের পোডিয়ামে অমিতাভ সরকার

কথন
মন,
সময় খুব কম, আজ আর কেমন আছো জিজ্ঞেস করবো না। এ সময় ভালো থাকার খুব একটা কথাও না। ঠাণ্ডা-গরমের এই অস্থির আবহাওয়ায় ঘরে-বাইরে কাজের তো কিছু কমতি নেই। আজ এটা, কাল সেটা চারিদিকে উৎসব লেগেই আছে। ভাঁড়ারে কিছু থাকুক বা না-ই থাকুক উদ্যোগের ফ্যাশন বাজারে উদ্যমের খামতি কই!
এদিকে সবাই ওরকমই আছে। এ বয়সে যেমন হয়। শরীর খারাপ হলেই ডাক্তার আর কাড়ি কাড়ি… ধরাবাঁধা ওষুধের দোকানগুলো তো আছেই।
সবাই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। ট্যুইশানি থেকে ফিরে ছেলেটাও সবসময় মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে, পড়াশোনার নামগন্ধ নেই। বললেও কথা শোনে না। ঘরে সন্ধ্যা হলো মানেই টিভিতে সারাক্ষণই এক খবরের চ্যানেল আর ওইসব বস্তাপচা সিরিয়াল; সেই গল্প যেখানে দুষ্ট অভিসন্ধির পর অভিসন্ধি করে যাচ্ছে, সফলও হচ্ছে। মাঝে মাঝে নিজেও বসে যাই চা নিয়ে। ঘড়ি এগোয়। আমি খেতে উঠি।
সারাদিন এত কাজের পর ঘরে এসে কাউকেই খুব একটা ফোন করা হয় না। কার সঙ্গেই বা কথা বলে একটু হালকা হব! সেইসব মানুষগুলো যে কমে যাচ্ছে।
রাখছি। ভাতের ফ্যান ফুটছে। এক্ষুনি না গেলে আবার…