সাতে পাঁচে কবিতায় আবদুস সালাম

অভিমান ও ছেলেবেলা
খেলার মাঠে ঢুকে পড়ছে শব্দহীন পাঠশালা
নিস্তব্ধ অন্ধকার নেমে আসে দিগন্তের মাঠে
রেললাইনের ধারে পড়ে আছে মন খারাপ নির্জন সন্ধ্যায় ভ্রান্তির আয়ু মোমবাতির কারখানায় বন্দি
সূর্যের রোদ থেকে খসে পড়ার সময় নাগরিক শূন্যতা লিখে রাখে নক্ষত্রের ডায়েরি
অবকাশ যাপনেও ল্যাপটপ সঙ্গি হয় ভদ্রস্থ বারান্দায় স্ট্যাটাস ডানা মেললে সব ব্যর্থতা লুকিয়ে রাখি সাদা চুলের অ্যালবামে
ভরদুপুরে বাবুদের বাগানে যোগানদার তাড়া দেয়
নুন লঙ্কা দিয়ে কাঁচা আম শ্রাদ্ধ করি
পুকুরের স্নানে উঠে আসে ছোটবেলার উপন্যাস
নাগরিক যন্ত্রণা ভাষা পাই
লিখে রাখি মন খারাপের কীর্তন গান মাটির বাড়ির সদর দরজায় চেনা কণ্ঠস্বর অচেনা হয়
মৃত মানুষগুলোর কাছে ডেকে ডেকে গল্প শোনায় নবান্ন আর ঈদের
কোলাকুলি ইতিহাস এখন রাম রহিমের বারান্দায় যুদ্ধ করে
ক্লাস ভর্তি ফ্যাসানের রোদ্দুর উঁকি মারে চোখ ঝলসে যায়
দেখি অযোগ্যতায় ভরা বিভ্রান্তিমূলক সহবাস
খেলার মাঠে জমে উঠে খেলা
মায়েদের বিংলিশ ভাবনায়
অন্ধকার নেমে আসে আমাদের পাঠশালায়
নবপ্রজন্ম উদযাপন করে মৃত্যুর ক্লান্তিহীন উদ্ভাস
শূন্যতা ডুবে যায় শূন্যের অভিঘাতে।