কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে অসীম সাহা

দূরত্ব নাকি সীমারেখা
দেখতে চাওয়া আর দেখতে পাওয়া-
সামনে দাঁড়িয়ে বাস্তবতা!
কোন একদিন কথিত দেশ প্রেমিক
বিশেষ সম্প্রদায়কে চাকুরী দিতে বন্ডে স্বাক্ষর-
অভিমত ব্যক্ত-
দেশ ত্যাগে ঐ গোষ্ঠীর অর্থ পাচার রোধে নব্য পদক্ষেপ
অথচ স্বল্প বেতনের কর্মচারী, আত্ম অতৃপ্তির ঢেকুরে!
বন্ধুদের টাকা আত্মসাৎ, স্ব আবাসন বিক্রিয়ে-
পরিবার-পরিজনে দূর প্রবাসে প্রবাসী।
রিমিটেন্স যোদ্ধা না হয়ে
দেশ প্রেমের একি অভিনবত্ব!
স্বদেশ ত্যাগ করতে হলো ধর্মের দোহাই দিয়ে
ভিটেমাটি সব দখলে-
হারালো আপনজন রক্তাক্ত হলো ছিন্ন বাঁধন
সাম্প্রদায়িক একি বন্ধন কি বেড়াজাল?
ভাগাভাগি নিয়ে হত্যা!
এ যেন দূরত্ব বাড়াতে সীমারেখা টানা।
সীমা লঙ্ঘিত স্বার্থের অন্ধকারে
মানুষ বিভক্ত হলো -জাতি,ধর্ম,বর্ণে!
মাটির বুকে অস্তিত্ব জমাট রক্তের
অভিশপ্ত জীবন,মুছলো না দাগ বাড়ল দায়!
বয়ে চললো আমৃত্যু-জীবন হতে জীবনে
মানুষ হবার প্রচেষ্টায় মানবের মর্মকথা।