কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আনোয়ার রশীদ সাগর

জেলখানা
নিভৃতে দাঁড়িয়ে বৃত্ত আঁকতে আঁকতে এঁকে ফেলি জীবনজলের উল্লাস
এঁকে ফেলি জলসাঁতারের মহাচিহ্ণ
এ এক নষ্ট পথে হাঁটা,হাঁটতে হাঁটতে পা পিছলে পড়ার ভয়ে আঁকতে থাকি লম্ব ; আঁকতে আঁকতে এঁকে ফেলি
ত্রিভুজ। তখন মনে হয় এঁকেছি মাতৃভূমির ছবি-
শুধু আঁকতে থাকি ত্রিভুজ পাতার পর পাতা।
এক সময় দুটো ত্রিভুজ মিলে হয়ে যায় সমান্তরাল বা রম্বস।
আমি ভয় পাই, ভয় পেতে পেতে রেখাটি কাটতে গিয়ে হয়ে যায় কর্ণ। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি-
আমি আর এগুতে পারছি না,
দৌড়াচ্ছি- দৌড়াতে দৌড়াতে হারিয়ে যাচ্ছি আমার মাতৃভূমি, আমার চেতনা, আমার বোধ থেকে যোজন-যোজন দূরে।
আমি এখন অন্ধকারে অন্ধদূয়ারের নাগরিক-
পথ হারিয়ে চলছি শাসকের পথে, শোষণের পথে,
অত্যাচারের পক্ষে আমার খুঁটিময় অবস্থান!
ছিঃছিঃ নিভৃতে দাঁড়িয়ে আঁকতে পারি না ত্রিভূজ। বলতে পারি না কথা,নাচতে পারি না মুক্তমঞ্চে।
আমার অবস্থান শাসকের জেলখানা।