জানি তুমি এখন নবমীর চাঁদ
আর এটাও জানি তুমি দেবীর মুখ দেখে যাচ্ছ একটার পর একটা
জানো, আমারও দেখতে ইচ্ছে করে তোমার মুখখানা
যা পরপর আঞ্চলিক দেবীর মুখের মত তেলতেলে হয়ে উঠছে ক্রমে
তুমি আসতেই পার এইভাবে দেবীদর্শন শেষে সেই পূর্বনির্ধারিত পথে
আমিও তো নামতে পারি রাস্তায়
তবে যে পথটা দিয়ে তুমি আসার প্রয়াস চালিয়ে যাবে
তার শেষ প্রান্ত আমার চৌকাঠের সামান্য আগে শেষ হয়েছে
তোমার অথবা আমার এক পা বাড়িয়ে আসাটা দেবীদর্শনের মত অলীক হচ্ছে
মাঝে তবুও একটা পরিখা, একটা দূরত্ব…
যেমন দেবীমূর্তি আর তাঁর দর্শকশ্রেণীর মধ্যে থাকে
ঘুচে যাক অথবা থাকুক; কেন না
ওটুকু না থাকলে আর হয়ত শরৎকাল আসবে না