কবিতায়নে অর্ণব মণ্ডল

ত্রিকোণ ছায়া খুঁজে চলেছি
অভাবী উপসর্গের খুব কাছে হতাশার আঙুলগুলো
সমস্ত রকম অনিয়মের ধাত ভেঙে
উৎকণ্ঠার জপমালায় পৌনঃপুনিক খেলছে
তাই,
বিশুদ্ধতার ঐতিহ্যে আমি
চুতিয়াপ্পাদের সহমর্মিতা বসালাম
অতল নিঃশব্দের জানালা থেকে বহুদূরে
টালমাটাল গাঁজার ঠেক
আর সব পিশাচসিদ্ধ ফিরিঙ্গীর ডাক
অনবরত ঘরময়
সেই বমির গন্ধ মাতিয়ে তোলে রোজ
আমিও কিনা মৃত বন্ধুর কথা ভেবে ভেবে অচেনা গাছেদের ত্রিকোণ ছায়া খুঁজে চলেছি
অলৌকিক একটা স্বপ্নের জন্য
নিবিষ্ট করা নাশকতার রাত
নায়াগ্রা জলপ্রপাতের মতো
মুষড়ে পড়ে আছে
এই কলম ধরা হাতে
আমার মেল্টিং পয়েন্টের আকাশ অপেক্ষা ফুটিয়ে তোলে
নিখাদ মাটির ক্ষারীয় অনুতাপ
কিছুটা সঙ্কুচিত অতীতের ঘায়ে
কোনো নির্ধারিত বাসনা ছাড়াই
ইন্তেকালের ঘোষণা দিচ্ছে
তবুও কেউ কিচ্ছু বলছে না…
প্রিয় কলিজার জন্য লেখা হাজার হাজার কবিতা
শর্তহীন আলাপ
স্বপ্নের বেঘোরে মরতে বসেছিল
ধারালো বদনাম ও বিনোদনের যাপন প্রক্রিয়া গিলে গিলে
কত যে গর্ভতাপ মাপলাম
এখন শুধু মনে পড়ছে
ঝলসানো বুকের মধ্যিখান বারবার
টুকরো টুকরো অভিব্যক্তির সমর্থন
কেবলই নিছক বিভ্রম অথবা কিংবদন্তি পথিকের ফেলে যাওয়া দর্শনগত প্রশ্নচিহ্ন