“এই শ্রাবণে আষাঢ়ে গপ্পো” বিশেষ সংখ্যায় অলোক মুখোপাধ্যায়

সাহেবকুঠি্র ভাঙা পাঁচিল

বিকেল থেকেই আকাশে মেঘ জমছিল।নীল মায়ের সাথে ফ্ল্যাটের ছাদে উঠে এসেছে।স্টেশন ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো অনেকটা বাঁক খেয়ে বেরিয়ে যায়।ছাদের ওপর থেকে দেখতে বেশ লাগে।রোজ  না হলেও সপ্তাহে তিন চারদিন সন্ধ্যের আগে নীল মা অথবা ঠাম্মির সাথে ছাদে ট্রেন দেখতে আসে।মাথার ওপর কালো মেঘ আজ একেবারে নেমে এসেছে।চারদিকে ঘন অন্ধকার।বৃস্টি্র ফোটা গায়ে পরছে দেখে নীল মায়ের সাথে নীচে নেমে আসে।ট্রেন দেখতে না পেয়ে নীলের মনটা একটু  খারাপ।প্রচন্ড শব্দে বাজ পড়ার সাথে সাথে কারেন্ট চলে গেল।জেনারেটার চালু না হলে আলো জ্বলবে না।হাউজিং এর কেয়ারটেকার জেনারেটার চালাতে দেরী করছে দেখে নীলদের পাশের  ফ্ল্যাটের দীপাঞ্জন বোস টর্চ হাতে বাইরে আসেন।নীচ থেকে খবর এল জেনারেটর স্টার্ট হচ্ছে না,কিছু একটা সমস্যা  হচ্ছে।
“দাদা, নীলকে একটু খেয়াল রাখবেন।আমি ঘরে আলোর ব্যবস্থা করি”।মায়ের কথায় নীল খুব খুশি।দীপাঞ্জন বোসের সাথে নীলের জমেও খুব ভালো। ঝোরো হাওয়ার সাথে টিপটিপ বৃস্টি শুরু হয়েছিল কিছুক্ষণ আগে।এখন হাওয়া কমলেও বেড়েছে বৃস্টির গমক। 
“মাম্মা আমি দীপ আঙ্কেলের ফ্ল্যাটে যাচ্ছি”।মায়ের উত্তরের অপেক্ষা না করেই নীল দীপাঞ্জন বোসের  ঘরে ঢুকে পড়ে।চায়ের কাপ হাতে নিয়ে দীপআঙ্কেল সোফায় এসে বসার অপেক্ষাতেই ছিল নীল।–আঙ্কেল, হয়ে যাক একটা অ্যাডভেঞ্চারের গল্প।বেশ ভয় আর সা্সপেন্স আছে এ্মন। 
-হ্যাঁ,গল্প শুনে রাতে না ঘুমিয়ে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকবি তারপর তোর মা আমাকে নালিশ করবে।  
-প্রমিজ!কিচ্ছু হবে না! আমি এখন ক্লাশ সিকস।আগের মতন ভয় পাই না। 
-বেশ তবে একটা কথা।দু লাইন শোনার পরেই তারপর কি হ’ল বলে প্রশ্ন করবি না।নীল ঘাড়  নেড়ে সায় দিতেই শুরু হ’ল দীপ আঙ্কেলের গল্প। 
আমাদের তখন টগবগে যৌবন।এখনকার মতন ডেডবডি ক্যারিয়ার অথবা ম্যাটাডোরে মৃত মানুষ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার চল তখন ছিল না।সেদিন রাতেও এরকম বৃস্টি হচ্ছিল।মড়া কাঁধে নিয়ে আমরা ছুটে চলেছি।মড়ার খাটের সামনে কাঁধ লাগিয়েছে আমাদের ডানপিটে দলের সর্দার  হিরুদা।আমাদের গ্রাম থেকে শ্মশান  প্রায় তিন কিলোমিটার।মড়া রোগা মোটা হালকা ভারী যাই হোক না কেন হিরুদা শুরু  থেকে শেষ পর্যন্ত কাঁধ দিয়ে যাবে।মাঝে মাঝে শুধু বাঁদিক ডানদিকের কাঁধ বদল।খালপাড়ের রাস্তার ল্যাম্পপোস্টে টিমটিম করে আলো জ্বলছিল।দূরে কোথাও  বাজ পড়ার সাথে সাথে ল্যাম্পপোস্টের আলো নিভে গেল।“বললো হরি……..হরিবোল।হরি হরি ব্বলো……. হরিবোল”।হিরুদার বাজখাই গলায় হরিধ্বনি্র সাথে পাল্লা দিছি আমরা।মরদেহের  সাথে বিছানা বালিশ বৃস্টিতে ভিজে ওজন অনেকটাই বেড়েছে।আমাদের গতি একটু কমাতেই হবে।  
আমাদের বন্ধু বিল্টু মড়ার খাটের পিছনে ছিল।বিল্টু হিরুদার উদ্দেশ্যে বলল-অনেকক্ষণ টেনেছি হিরুদা।আমার একটু রেস্ট দরকার।একটু স্লো করো প্লীজ।আরেক বন্ধু বুলান দৌড়ে বিল্টুর জায়গায় কাঁধ লাগায়।ইত্যবসরে শ্মশানের প্রায় কাছে আমরা চলে এসেছি।চারপাশে লোকালয় নেই বললেই চলে। বেশ গা ছমছম করা পরিবেশ। 
“মড়াটা নির্ঘাত কলেরায় ভুগছিল”।হিরুদা গম্ভীর গলায় বলে উঠল। 
আমাদের মধ্যে তপা একটু শান্ত প্রকৃতির।ও সরাসরি প্রশ্ন করে-“কি করে বুঝলে হিরুদা?তুমি কি ডাক্তারের সার্টিফিকেট দেখেছ?”
“মনে হ’ল তাই বললাম”।হিরুদা শান্তভাবে উত্তর দিল।ভোম্বল আমার দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে গেল।আমি ইশারায় জিজ্ঞাসা করতেই ও হিরুদার মাথার দিকে আঙ্গুল তুলে দেখাল।প্রথমে আমিও বুঝিনি পরে খেয়াল করলাম।ডেড বডির ডান হাতে হিরুদার চুল মুঠো করে ধরা।হিরুদা মাঝে মাঝে মড়াটার হাতের মুঠো থেকে মাথার চুল ছাড়ানোর চেস্টা করছে।
আমি হিরুদাকে জিজ্ঞাসা করলাম-“সর্দার যা দেখছি সেটা কি ঠিক”?
“হারামজাদা, ঠিক কি বেঠিক একটু পরেই বুঝবি! আমি নিশ্চিত বুড়োটা কলেরায় ভুগছিল।আমার দাদুর কাছে শুনেছি কলেরায় ভুগে মরা মানুষ মরে যাবার পরেও উঠে  বসে”।প্রায় একদমে কথাগুলো বলে হিরুদা থামল। 
-তাহলে উপায়!আমি হিরুদাকে জিজ্ঞাসা করলাম। হিরুদা আমাকে সাহস দিল।-ঘাবড়াচ্ছিস কেন?আমি তো আছি না কি!  
নীল দীপাঞ্জনের গা ঘেঁসে বসে।জ্বলতে থাকা মোম বাতিটার আয়ু শেষ হয়ে এসেছে।নীল অনেকক্ষণ চুপ করে শুনছিল,এবার মুখ খোলে।“–আঙ্কেল, মুন্নিদিদি বা আন্টিকে আরেকটা মোমবাতি দিয়ে যেতে বলবে।এটা এক্ষুনি নিভে যাবে”।নীলাঞ্জন আগে থেকেই মোম এনে  রেখেছিল।মোমবাতি স্ট্যান্ডে নতুন মোম জ্বালিয়ে আবার গল্প শুরু করল। 
শ্মশানে পৌঁছে মড়ার খাট কাঁধ থেকে নামিয়ে দিয়ে আমাদের ছুটি।বাকী কাজ মৃতের বাড়ির   লোকজন আর শ্মশানের ডোম করবে।বৃস্টিও বন্ধ হয়েছে।আমাদের সর্দার হিরুদা হুজুক তুলল- “যাবি তো চল ঘুরে আসি সাহেবকুঠির বাগান।আগে একবার দিনের বেলায় ঢুকেছিলাম,শুনেছি রাতে ওখানে অশরীরী হেঁটে বেড়ায়”।আমরা একে অপরের মুখ দেখছি।শেষে আমি আর ভোম্বল  রাজী হলাম।শ্মশানের পাশের ঢাল ধরে হিরুদার সাথে চললাম সাহেবকুঠির দিকে।চারপাশ এক্কেবারে নিস্তব্ধ,জনপ্রাণীর চিহ্ন নেই।হিরুদা পকেট থেকে সিগারেট বের করে লাইটার জ্বালাতেই সামান্য দূরে ঢালের জমির ওপরে একটা মানুষের ছায়া দেখা গেল।কারোর মুখে টু শব্দ নেই।হিরুদা আগে ভোম্বল আর আমি হিরুদার ডানদিকে।ঢালের ওপরের জমিতে উঠে সবে দু পা এগিয়েছি।হিরুদার বাঁদিকে কালো কাপড়ে মুখ ঢাকা একজন হাত বাড়িয়ে নীচু গলায় বলে উঠল “আগুন টা দেবেন বিড়ি ধরাব”!হিরুদা নিজের জ্বলন্ত সিগারেটটা বাড়িয়ে দিতে গিয়ে কি ভাবল জানি না।সিগারেটের আগুন না দিয়ে হিরুদা পকেট থেকে লাইটার বাড়িয়ে দিতেই দমকা হাওয়া  এল।মাথার ওপর দিয়ে সাঁই সাঁই শব্দে কি যেন একটা উড়ে গেল শ্মশানের দিকে।আশেপাশে  আমরা তিনজন ছাড়া কেউ নেই।কেন জানিনা শরীরটা বেশ ভার ভার লাগছে।হিরুদাই মুখ খুলল। –কিছু বুঝলি? আমি চুপ করে আছি দেখে ভোম্বল জিজ্ঞাস করল-লোকটা গেল কোথায়? হিরুদা বিজ্ঞের মতন উত্তর দিল-যেখান থেকে এসেছিল সেখানেই!আমি বা ভোম্বল কারর মুখেই  কোন কথা নেই।কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম সাহেবকুঠির সামনে।কুঠির পেল্লাই লোহার গেট জংলী লতাপাতায় ভর্তি।হিরুদাকে জিজ্ঞাসা করলাম-“ঢুকবে কি করে হিরুদা?গেট তো বন্ধ!” হিরুদা শান্তভাবে জবাব দিল-“তোরা কি ভেবেছিস সাহেবকুঠির গেট তোদের জন্যে হাট করে খোলা থাকবে!আমাকে ফলো করে চলে আয়”।
সাহেব কুঠির বাউন্ডারির পাঁচিলের পাশ দিয়ে হিরুদা এগোচ্ছে আমরা পিছনে।খানিকটা এগিয়ে যাবার পর পাঁচিলের মাঝখানে বেশ বড়ো একটা ফোকর।হিরুদা ঘাড় উঁচু করে দেখে নিয়ে  পাঁচিলের ফোকর দিয়ে লাফ দিল।ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার।হিরুদা আমাদের ইশারায় ডাকছে।ঠিক দম দেওয়া পুতুলের মতন আমরাও ফোকর গলে সাহেবকুঠির ভেতরে ঢুকে গেলাম।চারদিকে জঙ্গল আর ঝোপঝাড়।কিছুটা আগে ভাঙাচোরা ছোট একটা দালান, সামনে বারান্দা।হিরুদার পেছন পেছন হেঁটে দালানের বারান্দায় বসা মাত্রই ফ্যাত ফ্যাত করে ভেতর থেকে কি একটা যেন উড়ে জঙ্গলের দিকে চলে গেল।নাকে আসছে বিশ্রী বোটকা গন্ধ।হিরুদাকে জিজ্ঞাসা করে জানলাম যেটা উড়ে গেল সেটা পেঁচা।এখানে আগে সাহেবরা থাকত পরে অনেকদিন বসবাস করেছে এখানকার জমিদার।যে দালানে আমরা বসেছি সেটা ছিল জমিদার বাড়ির রান্নাঘর এখন চামচিকা আর বাঁদুরে ভর্তি।বিশ্রী বোটকা গন্ধ সেকারণেই নাকে আসছে।হিরুদার মুখে এটাও শুনলাম যে রান্নাঘরের পিছনে ছিল গুমঘর।সাহেবরা ওখানে অপছন্দের লোককে খুন করে মাটিতে পুঁতে দিত।
আমি ভোম্বলকে কনুই দিয়ে খোঁচা মেরে ফিশফিশ করে বললাম অনেক হয়েছে এবার এখান থেকে মানে মানে বেরিয়ে যাওয়াই ভালো।ভোম্বল চিমটি কেটে সায় দিতেই আমি বললাম-“হিরুদা আমার শরীরটা কেমন যেন করছে,বমি হবে বলে মনে হচ্ছে”।
-“বুঝেছি তোরা ভয় পেয়েছিস!তোদের জন্যেই আসা নইলে আমার কোন ঠ্যাকা।চল ওঠ”। কথাগুলো বলেই হিরুদা হনহন করে হাঁটা লাগাল।আমরা হিরুদার পিছনে পারলে ছুটছি।পাঁচিলের ফোকর গলে বেরিয়ে একটু যেন শান্তি পেলাম।দুই কি তিন পা এগিয়েছি দেখি ভোম্বল পাশে নেই।পিছন ফিরে দেখি ব্যাটা চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে।ইশারায় কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করায় ভোম্বল বলে উঠল-“ আমার গামছা নেই”।হিরুদা আর আমার গামছা কোমরে বাঁধা কিন্তু ভোম্বলের কোমরে গামছা নেই।
–হারামজাদা!তুই গামছা কোথায় রেখেছিলি?হিরুদা ঝাঁঝিয়ে ওঠে।
-দালানের বারান্দায় বসার সময় গায়ে জড়িয়ে রেখেছিলাম।ভোম্বল শান্তভাবে উত্তর দেয়।
-ব্যাস ওখানেই তাহলে ফেলে এসেছিস।তোদের নিয়ে আর পারিনা মাইরি। তোরা আমার দলের নাম ডুবিয়েই ছাড়বি দেখছি।হিরুদা এবার একটু রেগেই গিয়েছে বোঝা গেল।
ভোম্বল মিনমিন করে বলে -গামছা আমার গায়েই জড়ানো ছিল।পাঁচিলের ফোকর দিয়ে বেরনোর সময় কে যেন গামছাটা গা থেকে টেনে নিল।
-তুই ঠিক বলছিস? আমি ভোম্বলকে জিজ্ঞাসা করি।ভোম্বল ঘাড় নেড়ে সায় দেয়।হিরুদার পিছন পিছন এগিয়ে গেলাম ভাঙা পাঁচিলের কাছে।পকেট থেকে লাইটার বের করে হিরুদা একটা সিগারেট ধরাল তারপর ফোকর দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল।মিনিট খানেকের মধ্যেই ভোম্বলের গামছা হাতে ফিরে এল হিরুদা।গামছাটা কোথায় ছিল প্রশ্ন করার আগেই হিরুদা ঠোঁটে আঙ্গুল দিয়ে ইশারায় চুপ করিয়ে দিল।টিপটিপ বৃস্টি মাথায় নিয়ে সাহেবকুঠি ছাড়িয়ে আমরা জোর পায়ে শ্মশানের দিকে হাঁটা শুরু করলাম।
নীল বেশ মনযোগ সহকারে গল্পটা শুনছিল।দীপাঞ্জন বোসের বলা শেষ হতেই প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করল- “আঙ্কেল অনেকদিন পর দারুণ একটা গল্প শুনলাম।কিন্তু আমার কিছু কোশ্চেন আছে”।
তোমার প্রশ্ন থাকারই কথা। বলো কি জানতে চাও। 
আমার তিনটে মাত্র কোশ্চেন।এক-তোমাদের হিরুদার মাথার চুল মড়াটা মুঠো করে ধরেছিল সেই মুঠো কিভাবে ছাড়ানো হ’ল? দুই- শশ্মান থেকে সাহেবকুঠিতে যাবার সময় কালো কাপড়ে মাথাঢাকা লোকটা বিড়ি ধরানোর জন্য আগুন চাইল তারপর ভ্যানিশ হয়ে গেল।ওটা কি রিয়েল মানুষ ছিল না ভুত? তিন- তোমার বন্ধু ভোম্বলের গামছাটা তোমাদের হিরুদা কি করে উদ্ধার করল?  
কৌতুহলী শিশু মনকে অলোকিত করলেন দীপাঞ্জন।একদম ঠিক ঠিক প্রশ্ন তুমি করেছ।তোমাকে গল্প শোনা্তে আমার এজন্যই ভালো লাগে নীলবাবু।তোমার প্রথম প্রশ্নের উত্তরে জানাই-শ্মশানের ডোম এসে মড়ার হাতের কব্জি ধরে চাপ দিতেই মুঠো আলগা হয়ে যায়।দু নম্বর প্রশ্নের উত্তর আমি সঠিক দিতে পারবো না।সাহেবকুঠি থেকে ফেরার সময় হিরুদাকে আমরাও লোকটার ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলাম।হিরুদা বলেছিল ওটা নাকি আমাদের চোখের ভুল।আমি সাথে সাথে  সিগারেট থেকে আগুন না দিয়ে পকেট থেকে হিরুদার লাইটার বের করে দেওয়ার ব্যাপারটা মনে করিয়েছিলাম কিন্তু হিরুদা বেশ কড়া ভাবেই জানায় যে ওটাও আমাদের চোখের ভুল।তোমার থার্ড কোশ্চেনের উত্তর হিরুদা আমাদের কদিন পরে যা বলেছিল সেটা  হচ্ছে-পাঁচিলের ফোকর দিয়ে ঢুকে হিরুদা পকেট থেকে লাইটার জ্বালাতেই নাকি একটা ছায়ামুর্তি জঙ্গলের আড়ালে চলে যায়।ভোম্বলের গামছাটা একটা গাছের ডালে ঝুলছিল।হিরুদাকে এরপর আর কোন প্রশ্ন করলেই রেগে উঠত।বুঝতেই পারছ নীলবাবু সর্দারকে বেশি প্রশ্ন করলেই দল থেকে বাদ করে দেবে।পরে ভোম্বল আমায় বলেছিল ফেরার সময় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে একটা কাঁটাজাতীয় গাছের সাথে ও ধাক্কা খায়।সম্ভবত সেই গাছের কাঁটাতেই আটকে যায় ওর গামছা।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।