একজন মা’কে জানি, বছর বছর সন্তান জন্ম দিতেন।ছোট্ট খুঁপড়ি ঘরে থাকতেন।স্বামীর কাছে পুত্র সন্তান মানে একটু বড় হবার সাথে সাথে বাবার কাজে হাত লাগাবে।
কিন্তু মা সবাইকে না পারলেও একটি পুত্র সন্তানকে নিজের সবটুকু দিয়ে আড়াল করে রেখে তাকে পড়ালেখা করিয়েছেন।
ছেলেও তার মেধা ও অধ্যাবসায়ের গুণে হয়েছে খ্যাতিমান ও সুপ্রতিষ্ঠিত।
জানি না সেই খ্যাতিমান সন্তান মায়ের অন্তিম দিনগুলিতে কতটা পাশে ছিল।কতটা আরাম আয়েশের জীবনের ব্যবস্থা করেছিল মায়ের জন্য।
কারণ মা-তো তার সেই সোনারটুকরো ছেলের সাথে থাকতে পারেনি।
আরও অনেককে নিয়ে নিজের সংসার বলে যে
একটা ঠিকানা নির্দিষ্ট ছিল তার। যেখানে এসেছিল কৈশোর পেরিয়েই।
একজন মা দূরপাল্লায় সহযাত্রী হিসেবে পেয়েছিলাম।
৬টি সন্তান রেখে স্বামী অকালপ্রয়াত হন। সেই স্বল্প শিক্ষিত মা সব কটি সন্তানকে লেখাপড়া শিখিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
এই সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে তার মুখ আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে জীবনের পরন্ত বেলায়।
এক মাকে জানি,জীবনের শুরুতেই জেনে গেছেন তিনি যে সংসার করছেন,সেখানে সে প্রতিনিয়ত প্রতারিত। সেই প্রতারনার বিষে নিজে জর্জরিত হয়েও সংসার আগলে আছেন সন্তানদের জন্য।
ভাঙা পরিবারের সন্তানরা এখনো এ সমাজে কিছুটা বাড়তি সমস্যায় পড়ে বলে।
এমনকি যাদের আমরা জানি সমাজে পতিতা বলে সেই মেয়েরাও হাজার পুরুষের মনোরঞ্জন করলেও অন্তরে মাতৃত্বের কুসুম কোরক লুকিয়ে রাখে। সুযোগ পেলেই সে কুঁড়ি ফুটবেই।
গর্ভধারণ থেকে শুরু করে সন্তানের মানুষ হিসেবে নিজেকে চেনার রাস্তাটা মায়ের একাই চলতে হয়।যাতে কেউ ইচ্ছা থাকলেও সাথি হতে পারে না।
সেই মাতৃত্বকে দিবসের বাঁধনে বেঁধে কি লাভ!!!