|| বাইশের বাইশে শ্রাবণ একটু অন্যরকম || বিশেষ সংখ্যায় অমিত মজুমদার

সহজ পাঠের দেশে
নদীর ঘাটের কাছে ছিলো চোরাগলি
তবুও ডোবেনি সেথা কোনো পদাবলী।
আমাদের ছোটো নদী বাতাসের ঘ্রাণে
কিছুটা বিষাদ লেখে জাগতিক টানে।
আগুনে প্রহর গুণে মুখে ফোটে ভাষা
এখানে রাত্রি এলে জাগে ভালোবাসা।
দূরের আকাশ যদি চলে আসে হাতে
পৃথিবী ঘুমিয়ে যায় তারা খোঁজা রাতে।
তারায় তারায় দেখো কথা ও কাহিনি
হৃদয়ে পুঁতেছে চারা করেছে সে ঋণী।
কতটা দিয়েছি শোধ পারিনি কতটা
সেটুকু ভেবেই ফুল শিখে গেছে ফোটা।
ওই যে দাঁড়িয়ে একা চেনা জানা গলি
পাপড়ি লিখেছে ভোর যত কথাকলি।
অনেক হাঁটার শেষে পায়ে ছিলো তাড়া
গাছেরা দিয়েছে ভাঙা প্রাচীর পাহারা।
নেমেছে বাতাসে নিশি ছাপোষা এ দলে
কে এসে লিখেছে স্নান দুই ফোঁটা জলে।
জলের ওপরে ভাসে বাঁশি বাঁশি রেখা
সুরের বাগিচা থেকে এত কিছু শেখা।
আমি সে জলের ধারা রেখে বাতায়নে
জাহাজ বানিয়ে দেখো ছুঁয়েছি নয়নে।
তুমি সে জাহাজ চেনো বুকজলে আঁকা
জলের গভীর থেকে রেণু দিয়ে ঢাকা।
নোঙর ফেলেছে দেখো হৃদয়ের কোণে
মেঘের ভ্রুকুটি রুখে বাইশে শ্রাবণে।
বাদল নামুক বুকে প্রাণ হোক তাজা
সহজ পাঠের দেশে আজও তিনি রাজা৷