রাস্তাটা সোজাই চলে গিয়েছিল,
পথিক চলতে চলতে কখন বাঁক নিয়ে ঘুরে যায়।
একসময় সোজা রাস্তাটা ডানে বাঁক নিয়ে,
আর একটা রাস্তা তৈরি করে।
সে রাস্তায় চলতে গিয়ে অন্য কোন পথিক,
আবার বায়ে বাঁক নেয়।
বায়েও আর একটা পথ তৈরী হয়ে যায়।
নতুন তৈরি রাস্তা গন্তব্যে পৌঁছায় সময়ের আগেই,
যাত্রা শুরুর রাস্তাটা অগোচরেই মিলিয়ে যায় —
পথিকের প্রয়োজন ফুরায় বলে।।
এভাবেই একটা নতুন রাস্তা তৈরী হয়,
পুরোনো রাস্তাটাকে বিলীন হতে হয় ।
পুরোনো রাস্তাটা বিলীন হয় বলেই,
নতুন রাস্তা তৈরি হয়,তা কিন্তু নয়।
নতুন রাস্তায় পথিক হাঁটে বলেই,
পুরোনো রাস্তাটা আগাছায় ঢেকে যায়।
একদা পথিকের চঞ্চল পদভারে সদা জাগ্রত ,
রাস্তাটিকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
মৃতবৎ পড়ে থাকে পরিত্যক্ত এক,
বন্ধ্যা রমনীর মতো।