কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আহমেত কামাল (গুচ্ছ কবিতা)

১| প্রতিত্তোর
আহ্ কতোদিন পর, পুরাতন চিঠির
নতুন আবদার!
রক্ত ঝরছে,,
প্রেম ঝরছে,,,
বাসনা ঝরছে,,।
কিছুই মনে নেই। রাঙাঠোঁটের কামড় যেন জ্বলে উঠছে
মনখারাপ সরিয়ে।
চিঠির প্রতিত্তোরে আমি কি লিখব?
একদিস্তা চিৎকার
পাঠিয়ে দিব। খামে ভরে ,,,।
২| সুখ
পৌষের দিকে উড়ে যাচ্ছে পাখিরা।
সুবেহসাদিক- এ
শীত নাড়ছে,,, হারুন
হারুনের সুখ দেখে আমিও পেটে পেটে ভাবছি
বিবাহ।
আহ্ তরল সুখ!
ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে,, আকাশে,,,।
৩| আমার রাত
পাটাতন চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ছে -দীর্ঘ দীর্ঘ রাত ও
তরল ইয়ার্কি।
আরো অপেক্ষায় থাকি সমুদ্রের মতো লম্বা ও প্রসস্থতম রাতের জন্য।
যেন আমরা কোনোদিনও আর বের হতে পারবো না – এ
নরক প্রিয় রাত হতে।
বাবা’কে একবার বলেছিলাম’ বাবা এ দেহে আর আলো মেখনা।
আমার ঘুম আসে আলোর চুম্বনে।
বরংচো
আমায় ছেড়ে দাও খনির গহীনে। যেখানে শুধু রাতে রা
অপেক্ষা ক’রে
পাথর আর শিলাখণ্ড হাতে কাউকে রক্তাক্ত করতে।
সেই তো রক্তাক্ত হচ্ছি বাবা!
তাহলে তোমার সেই আলো
ভোরের শিশির?
বাবা তোমার ছেলের ঘুম ভিজে যাচ্ছে,,
তরল ইয়ার্কিতে।