কবিতায় আকাশ কর্মকার
by
TechTouchTalk Admin
·
Published
· Updated
ত্বকে ত্বকে তক্কাতক্কি
উপর থেকে হাত দিয়েছি, রক্ষা করেছে পসকো;
আইন বলে যেটা আছে দেরী নেই তা হতে ভস্ম।
বৃথাই গলে গেল কত মোম, ক্লান্ত হল মিছিল;
প্রতিবাদের বিরুদ্ধে আইনই এঁটো দিল খিল।
ধর্ষণ বলে হয় কি কিছু? সবই ছোঁয়াছুয়ির ভুল;
কালো কাপড় বেঁধে বিচারক ফোঁটায় শুধু হূল।
ভিতর বা বাইরে স্পর্শ যতই হোক্ না স্পর্শকাতর,
ধর্ষক বলে হয় না কিছুই, ক্ষতর উপর ছড়াও আতর।
গুড টাচ্ ব্যাড টাচ নিয়ে ভাবতে যেওনা অযথা,
দেওয়াল ভেঙে রাস্তায় নামলেই শুরু হয় যতকথা।
গুপ্ত অঙ্গ উন্মুক্ত না হলে অপরাধও রয়ে যায় সুপ্ত,
নারীজাতিকে নিশ্চিহ্ন করে আদালত লিখবে ধর্ষণ বিলুপ্ত।
কবি কবেই গিয়েছেন বলে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে,
হুল্লোড়ে মেতে ওঠে অপরাধী, নিখোঁজ রাষ্ট্র আইনের অবসাদে।
ট্রামে-বাসে ভিড়ের মেলায় স্বীকৃতি পেল শ্লীলতাহানি,
নিজের ঘর না পোড়া অব্দি আমরা চুপ থাকতে জানি।
ধারা-উপধারা সবই বৃথা যদি না হয় যোগ্য বিচার,
জাজের কলমে লেখা ধর্ষিতা একটি বন্দী পাখি খাঁচার।
আইনের জাঁতাকলে পড়ে অস্বীকার করে নারী জন্ম নিতে এ দেশে,
পোশাকগুলো পুড়িয়ে দিয়ে ডাক দিও নগ্নতার সমাবেশে।