কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জল

প্রিয় ভালোবাসার সহযোদ্ধা আমার, ভালোলাগার অপূর্ব অবগাহন সৃষ্টির সুখ শান্তি বহে তোমারই মসৃণ অবয়বে,
তাই তো যুগসূচনাকারী ভালোবাসা উপলক্ষে শুভেচ্ছা অবিরাম অন্তহীন।
তোমার জন্য লেখা আমার ভালোবাসার চিঠিটা শেষ কোথায় কবে কখন পড়ে গেছে তা হয়তো-মনে নেই কিন্তু অনুভব আছে এখনো !
হয়তো চিঠিটা কোন কালারের কিরূপ, তাও মনে নেই তোমার!
তুমি জানতেও পারবে না আমি কত ভালোবেসে আবেগের সাথে চিঠি লিখেছিলাম।
চিঠিতে তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা প্রকাশ করেছিলাম।
আমার হৃদয়ের গহীন কোণে তোমাকে জায়গা দিয়ে ছিলাম।
ভালোবাসা তো কখনো হার মানে না ; তা-ই ছত্রিশ বছর পূর্ব ভালোবাসা চিরন্তন হয়ে আছে হৃদয়ে আমার।
আমিতো রয়েছি শুধু তোমার অপেক্ষায় শুধু তোমাকে ভালোবাসি এখনো বহু মানুষের ভীড়।
চিঠি টার তিন যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে আজকের আমার চিঠি লিখা,
সেই কবে হস্তে হস্তে চিঠি তোমার হস্তে প্রেরণ করা হয়ে ছিলো তোমারই হস্তে ;
তুমি হতভম্ব হয়ে চিঠি পড়বে না কোথাও লুকাবে সেই কিশোরী বেলায়!
তবে সেই চিঠি পড় আর না পড় “তোমার কপাল ভিজে প্রেম রেখা পড়েছিলো গদ্য পদ্যে অনুভবে”
ছত্রিশ পরবর্তী অংশ লিখিলাম ষষ্ঠইন্দ্রিয় চিন্তা চেতনা অবশিষ্টাংশ মনের ছন্দ থেকে,
এবার আর হতভম্ব বা ঘেমে জবজব শরীর হবেনা তোমার, এটা তো সংকেত!
আমার চিঠি তোমার নিকট প্রেরণ করতে চাই? তুমি চিঠি পরে বুঝতে পারবে আমি তোমায় কতটা ভালোবাসি।।