কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল

নিশাচর মগজ
প্রণয়ী সৃষ্টির সোনালী সৌন্দর্য
সুর ললিতা, প্রিয়া প্রিয় নয়তো চিহ্ন ;
অনবদ্য বাদনে শব্দ মালায় গাঁথতে গদ্যপদ্য মায়াবী রুপোলী ঝংকার-
ঊষর জঠর পদলালিত্য তৃষ্ণার ঠোঁটের কারুকার্য ;
শোভিত মনোমুগ্ধকর হাসি অপেক্ষায় নবজাগরণ!
সে-ই বেলা ও-ই বেলা
স্নিগ্ধতা— বিদ্রোহ পূণিমা পূঙ্খানুপুঙ্খ দেহতরণী অক্টোপাসের ঝাপটা।
তড়িৎ দশহরা ঊর্ধ্বে উঠে জীবমণ্ডল শাকম্ভরী চক্রের তটরেখা,
শতক চুরা অথবা লাল-নীল আলো নিবিড় ঢঙি গুটক,
ইচ্ছে ছিলো আকাশ বাতাস মহক হীনকুল
সুধাময়ী দেবীর প্রতিচ্ছায় চিবিয়ে নিবো
অচিনঘরে,
অচেনা টসটসে লটকন।
দূরের কোন শাখায়,
বিচিত্র দৃশ্যের ঢরঢর কম্র!
সঙ্গে ঋজু চুলের গোছা,স্বপ্নের মঞ্চায়নের আল্পনা ছোঁয়ায় লিখছি
আমার ভঙ্গিতে
ঊহ্যবাক্য স্নেহময় রসজ্ঞ!
জগদ্দল ফলত প্রগাঢ় অনুভব
নিশাচর মগজ।
দিগ্বিজয়ের পহেলা ফাগুন নিতম্ব অনুপ্রেরণা,
শরীরে সঞ্চারিত পশমি শিশিরের টুপটাপ ফোঁটা রুপ লাবন্য,
নয়নের মণি সৃজনশীলতা
হৃদয়স্পর্শী জাগরিত যেখানে সমাপ্তি দন্ডায়মান।।